অবিনশ্বর বিদ্যাসাগর : ধর্মে ও ধর্মহীনতায়

0
23

কৃষ্ণা রায়
অধ্যাপক ক্ষুদিরাম বসু বিদ্যাসাগরের জীবনের শেষ ষোল-সতেরো বছর খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন। তাঁর মতে, বিদ্যাসাগর ছিলেন একেশ্বরবাদী। আর তাঁর ধর্মজীবন কর্মগত ছিল। কাজই ছিল তাঁর কাছে ধর্ম। উনিশ শতকে নবজাগরণের ঢেউ তাঁর মনে যে- উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছিল, যে উদ্দীপনায় ভর করে পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানভিত্তিক দর্শনকে ধ্রুব সত্য বলে গ্রহণ করেছিলেন- সেই অনুধ্যানে তিনি ঈশ্বর সম্বন্ধে মতপ্রকাশে বিরত থেকেছেন। সমকালীন দার্শনিক হার্বাট স্পেন্সারে মতো তাঁরও ছিল যুক্তিবাদী মত তথা Rational View এই বোধে ভর করে অজ্ঞাত ও জ্ঞানের অতীত কোনো বিষয়ে তিনি সংস্কারমুক্ত এবং উদাসীন হয়ে গেছেন।


বিনয় ঘোষের মতে, বিদ্যাসাগর নিশ্চিত বুঝেছিলেন- প্রচলিত ধর্মের বিরুদ্ধে কোনো প্রত্যক্ষ আন্দোলন করে মানুষকে ধর্ম বিষয়ে মোহমুক্ত করা যায় না, তাই তো সেই বিষয়ে সচরাচর নিরুচ্চার থাকতেন অথবা লঘুচালে কথা বলতেন। ঈশ্বর সম্বন্ধে কোনো দার্শনিক চিন্তাকে বিদ্যাসাগর অগ্রাধিকার দেননি কারণ, তিনি বুঝতেন ধর্মচিন্তার সঙ্গে যুক্তিতে মেলানোর বাধাগুলিকে তিনি অস্বীকার করতে পারবেন না। বিদ্যাসাগর যদি ঈশ্বর বিশ্বাসী হবেন, তবে কি এত সংশয় থাকত তাঁর মনে? প্রত্যক্ষ জীবনবেদ যাঁর অন্বিষ্ট- তিনি আকাশের চেয়ে মাটি, অচেনা পরলোকের চেয়ে চেনা ইহলোক, ঈশ্বরের বদলে মানুষকেই তো প্রাধান্য দেবেন।


বিদ্যাসাগর তাঁর ধর্মচেতনা ও ঈশ্বর বিশ্বাসকে সারাজীবন নিতান্তই ব্যক্তিগত স্তরে আড়াল করে রেখেছিলেন, ধর্ম সম্পর্কে তাঁর যেমন অবজ্ঞা ছিল না, তেমনি কোনো ধর্মকে কখনো আঘাত করেননি, বর্জন করার পরামর্শ দেননি। ধর্ম তাঁর কাছে একান্তভাবেই মানবমুখী সৎ কর্ম, তার উৎসে রয়েছে মানুষ এবং ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগৎ।


তাঁর শিক্ষাভাবনায় প্রচলিত ধর্ম বিষয়ে নিরপেক্ষতাকে সবসময় মর্যাদা দিয়েছেন। তাই তাঁর লেখা শিশুপাঠ্য বই কিংবা সংস্কৃত শেখার প্রাথমিক বইতে কোনো ধর্মগ্রন্থের বাণী বা শ্লোক উল্লেখ করেননি, বোধোদয়-এর প্রম সংস্করণে, মূলগ্রন্থে উল্লিখিত বাইবেল, ঈশ্বর, পরলোক প্রভৃতি বিষয়গুলি সচেতনভাবে বাদ দেন। এই নিরীশ্বরবাদী নীতিবোধ প্রচারের কারণে মিশনারিরা তাঁর ওপর রাগ করেছিল। শিশুপাঠ্য আখ্যানমঞ্জরী অথবা কিশোরপাঠ্য চরিতাবলীতে কোনো ধর্মনেতা স্থান পাননি। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিপরীত প্রয়াসও লক্ষ্য করা যায়। তাঁর প্রথম বই বাসুদেব চরিত। বোধোদয়-এ ঈশ্বরের কথা কিছুটা হলেও তো আছে- ‘‘ঈশ্বর কি অভিপ্রায়ে কোনো বস্তুর সৃষ্টি করিয়াছেন, আমরা তাহা অবগত নহি’ এজন্য কতকগুলিকে পূজ্য ও পবিত্র জ্ঞান করি, আর কতকগুলিকে ঘৃণা করি। কিন্তু ইহা অন্যায় ও ভ্রান্তিমূলক। বিশ্বকর্তা ঈশ্বরের সন্নিধানে সকল জন্তুই সমান।’’ ঈশ্বরে বিশ্বাস বা তাঁর অস্তিত্বের কথা এখানে কিছুটা রেখেছেন বটে। আবার অন্যত্র ‘ঐশিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস’ রচনায় এক দুঃখী অনা বালকের মুখ দিয়ে বলিয়েছেন- ঈশ্বরই পৃথিবীতে কোনো-না-কোনো জায়গায় তার জন্য কোনো ব্যবস্থা রেখেছেন। কিন্তু একইসঙ্গে সে- বালক কিন্তু ঈশ্বরে সারাক্ষণ তদ্গত না থেকে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শ্রমনির্ভর জীবন বেছে নিয়েছে। এই গল্প কি আমাদের সচেতন করে জানিয়ে দেয় না, আত্মসম্ভ্রমে পরিপূর্ণ অনুভবটি কোনো সহায়হীন বালকের নয়, স্বয়ং বিদ্যাসাগরের জীবনদর্শন? আবার পরলোক- ভাবনাতেও বিদ্যাসাগরের সংশয় কি থেকেই যায়নি? স্নেহের পাত্রী প্রভাবতীর অকালমৃত্যুতে কাতর বিদ্যাসাগর ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ রচনায় অকুণ্ঠে জানিয়েছেন: ‘‘বৎসে! তোমায় আর অধিক বিরক্ত করিব না; একমাত্র বাসনা ব্যক্ত করিয়া বিরত হই- যদি তুমি পুনরায় নরলোকে আবির্ভূত হও, দোহাই ধর্মের এইটি করিও।

যাঁহারা তোমার স্নেহপাশে বদ্ধ হইবেন, যেন তাঁহাদিগকে আমাদের মতো অবিরত, দুঃসহ শোকদহনে দগ্ধ হইয়া যাবজ্জীবন যাতনাভোগ করিতে না হয়।’’ নিবিড় শোকে মানুষের ব্যক্তিত্বের কি সাময়িক পরিবর্তন হয় না? সেই পরিবর্তনই জানিয়ে দেয়, পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে রক্ত-মাংসের মানুষের অনুভবের তারতম্য হয়, তাই বলে তার জীবনদর্শনের কখনোই আমূল চিরস্থায়ী বদল হয়ে যায় না।


বিদ্যাসাগর তাঁর তথাকথিত ধর্মবিশ্বাস এবং জীবনদর্শনে সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছিলেন ফ্রান্সিস বেকন (১৫৬১-১৬১৬), অগাস্ট কোঁৎ (১৭৯৮-১৮৫৭), জেরেমি বেস্থাম (১৭৪৮-১৮৩২), জন স্টুয়ার্ট মিল (১৮০৬-১৮৭৩) প্রমুখ পাশ্চাত্যের বস্তুবাদী, বিজ্ঞান-মনস্ক দার্শনিকদের ভাবনায়। সেই ভাবনায় অতিরিক্ত প্রাধান্য পেয়েছে কোঁতের মানবতাবাদ। যুক্তিবাদী ধারণায় আমূল প্রোথিত এক মানুষ বিদ্যাসাগর অখিলদ্দিন নামে এক অন্ধ ও খঞ্জ ফকিরের একটি গান শুনতে বড়ো ভালোবাসতেন। গানের বাণী তাঁর চোখে জল এনে দিয়েছিল, অনুরোধ করেছিলেন যেন সে মাঝে মাঝে এসে গান শুনিয়ে যায়। কী ছিল সেই গানের বাণীতে? গানের মধ্যে কি তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন তাঁর অনেক অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর? তাঁর জীবনচিত্র কি নির্দ্বিধায় জানিয়ে দেয় না- মানুষই তাঁর ধর্ম এবং সাধনা? মানুষই হয়তো সেই না দেখা ঈশ্বরের আধার এবং আধেয়।


‘‘কোথায় ভুলে রয়েছ ও নিরঞ্জন, নিল্লয় করবে রে কে,
তুমি কোনখানে খাও কোথায় থাক রে মন অটল হয়ে,
কোথায় ভুলে রয়েছ।
তুমি আপনি নৌকা আপনি নদী, আপনি দাঁড়ি আপনি মাঝি,
আপনি হও যে চরণদারাজি, আপনি হও যে নায়ের কাছি,
আপনি হও যে হাইল বৈঠা।
তুমি আপনি মাতা, আপনি পিতা
আপনার নামটি রাখবো কোথা, সে নাম হৃদয়ে গাঁথা
আমার গোঁসক্রিচাঁদ বাউলে বলে সে নাম ভুলবো
নারে প্রাণ গেলে।
তুমি আপনি অসার, আপনি হও সার,
আপনি হও যে নদীর দুধার, আপনি নদীর কিনার,
আমি অগাধ জলে ডুব দিতে যাই, সে নাম ভুলব নারে
প্রাণ গেলে।
আপনি তরো, আপনি সারা, আপনি জরা আপনি মরা,
আপনি হও সে নদীর পাড়া আবার আপনি হও সে
শ্মশানকর্তা গো,
আপনি হও সে জলের মীন ও নিরঞ্জন, তোর কোথায় সাকিম,
আমি ভেবে চিন্তে হলেম ক্ষীণ!’’


এই নিরঞ্জন কি বিদ্যাসাগরের সারাজীবনের অন্বিষ্ট? যার খোঁজে জীবন শেষ হয়ে আসে, তবু জানা হয় না তাঁকে। জীবনভর সামাজিক অন্যায়, বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে ক্লান্ত, নিঃসঙ্গ প্রৌঢ় বিদ্যাসাগর এই দেহতত্ত্বের গানের কথায় বিহ্বল হয়ে কার কাছে আশ্রয় খুঁজতে চেয়েছিলেন? মানুষের কাছেই তো। তাই তাঁর ঈশ্বরভাবনা বিষয়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ ব্রায়ান হ্যাচারের মত হলো- বিদ্যাসাগর আদ্যন্ত মানবকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ।

অখিলদ্দিনের গানে ফকির বাউল সম্প্রদায়ের যে অন্বিষ্ট মনের মানুষের কথা বলা হয়েছে, সেকথা শুনে জীবনের অপরাহ্নে এসে সিনিক বিদ্যাসাগরের কোনো প্রাচীন গোপন ব্যার কথা ভেবে চোখে জল এসেছে। তার সঙ্গে ঈশ্বরভাবনার কোনো যোগাযোগ নেই। অধ্যাপক প্রমথনা বিশী মন্তব্য করেছেন- ‘‘এত বড়ো মানবপ্রেমিক অল্পই জন্মগ্রহণ করেছেন- আর শেষজীবনে এত বড়ো মানববিদ্বেষী অল্পই দেখা গিয়েছে। এ কেমন করে সম্ভব হলো? এর কৃতিত্ব দিয়ে, কৃতঘ্নতা দিয়ে, করুণার পরিবর্তে নিন্দা দিয়ে, ঘর পুড়িয়ে দিয়ে তাঁকে দেশছাড়া করেছিলাম।’’ বিদ্যাসাগর আসলে বিশ্বাস অথবা আস্থা হারিয়েছিলেন মধ্যবিত্ত, স্বার্থপর, ভন্ড লোকদের ওপর। তা না হলে তাদের সংসর্গ এড়িয়ে কারমাটড়ে আরণ্যক সাঁওতালদের মধ্যে গিয়ে তাদের জীবনে আমূল সর্দক পরিবর্তন এনেছিলেন কেন? তাহলে কি দরিদ্র, নাগরিক শিক্ষাহীন সাঁওতালরা মানুষ নয়?

রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘মানুষের ধর্ম’ প্রবন্ধে মানবপ্রীতির জয়গান করেছেন। দিলীপকুমার রায়কে একবার চিঠিতে লিখেছিলেন: ‘‘আমার সব অনুভূতি ও রচনার ধারা এসে ঠেকেছে মানবের মধ্যে। বারবার ডেকেছি দেবতাকে, বারবার সাড়া দিয়েছে মানুষরূপে ও অরূপে, ভোগে ও ত্যাগে। ধর্ম বিষয়ে একান্তভাবে মানবমুখিনতার কথা বলে গেছেন ইউরোপীয় নবজাগরণের বৈজ্ঞানিক, সাহিত্যিক, দার্শনিকেরা। তারও আগে বলেছেন গ্রীক দার্শনিক পিথাগোরাস- ‘‘Man is Messure of everything।’’ আর আমাদের বাংলাদেশের সেই দরদি কবি চন্ডীদাস কি অকুণ্ঠে ঘোষণা করে যাননি- ‘‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই?’’ কিন্তু কোন মানুষ? আজকের হিংসা-সঙ্কুল পৃথিবীতে তেমন মানুষ কোথায়? স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝেছিলেন, বহু রূপে ঈশ্বর মানুষের চোখের নাগালেই আছেন, তাঁকে সেবা করাই খাঁটি মানব-ধর্ম। এই ভূমণ্ডলের অজস্র জীবে দয়া তথা সেবা করে ঈশ্বরভজনার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিদ্যাসাগর সেই অর্থে শিবজ্ঞানে জীবসেবাকে তাঁর ধর্ম বলে মনে করেননি। সেদিক দিয়ে বিচার করলে তাঁর সমস্ত করুণা, মমতার কেন্দ্রে ছিল শুধুই মানুষ।

এই একটি ভাবনায় তিনি তাঁর অনুজ, একদা তাঁর অধীনস্থ বেতনভুক কর্মচারী নরেন্দ্রনা দত্ত তথা স্বামী বিবেকানন্দের উদার মননের কাছে হয়তো আজ কিছুটা পিছিয়ে রয়ে গেছেন। এই বিশ্ব কি শুধুই মানুষের? বিশ্বের বিশাল, অফুরন্ত জীবজগতের প্রতিনিধি শুধু তো মানুষ নয়! আসলে বিদ্যাসাগরের জীবনজোড়া ভাবনায়, বিশ্বাসের কেন্দ্রে রয়ে গেছে শুধুই মানুষ। অকৃতজ্ঞ, স্বার্থপর হলেও তাঁর বিশ্ববীক্ষায় মানুষই শুধু মনোযোগের কেন্দ্রবৃন্দ। তার ধর্মসাধনার নিশান কোনো মন্দির অথবা আশ্রম স্থাপন নয়, কোনো পুণ্যলাভ বা মুক্তিলাভের আশায় নয়- দুঃখী মেয়েদের যন্ত্রণার অবসানের জন্য সামাজিক নিয়মের আমূল পরিবর্তন, শিক্ষার ধারণা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য গ্রামে গ্রামে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, সরকারি আনুকূল্য ছাড়াই দেশের লোকের উচ্চশিক্ষার জন্য মহাবিদ্যালয় স্থাপন কিংবা দরিদ্রসেবার জন্য দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন। দেহান্তের বহু আগে উইলে তিনি তাঁর সব সম্পদ, অর্থ বিলিয়ে দিয়েছেন দুঃখী মানুষের সাহায্যে। কোনো গোষ্ঠী বা দলাদলি করে কখনো নিজের ধর্মমত প্রচার করেননি, মৃত্যুর দিনেও কোনো অদেখা নিরঞ্জনের জন্য ব্যস্ত হননি বরং সেদিনও আপশোস করে গেছেন তাঁর সাধের মেট্রোপলিটন স্কুল-কলেজের কত কাজ অসমাপ্ত রয়ে গেল! ‘‘দুঃখ হচ্ছে যে মেট্রোপলিটন স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের জন্য চাকুরীজীবন অন্তে প্রাসাচ্ছাদনের কোনো ব্যবস্থা করে যেতে পারলাম না।’’ এই হলো বিদ্যাসাগরের আমরণ ধর্মভাবনার মূল নির্যাস। তাঁর জীবনের বাষট্টি বছর বয়সে পরমপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাত ঘটেছিল। শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁকে বলেছিলেন: ‘‘তুমি যেসব কর্ম করছ, এসব সৎকর্ম। যদি ‘আমি কর্তা’ এই অহঙ্কার ত্যাগ করে নিষ্কামভাবে করতে পার, তাহলে খুব ভালো।

এই নিষ্কাম কর্ম করতে করতে ঈশ্বরেতে ভক্তি, ভালোবাসা আসে। এইরূপ নিষ্কাশ কর্ম করতে করতে ঈশ্বরলাব হয়।’’ যুগপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণ যথার্থই বুঝেছিলেন, বিদ্যাসাগর নিজেও জানতে পারেননি, না চাইতেই তিনি কখন তথাকথিত ঈশ্বর-সান্নিধ্য পেয়ে চলেছেন। সেই সান্নিধ্যের অন্য নাম সম্ভবত আত্মশক্তি। এই শক্তিতে আস্থাবান, পরের হিতসাধন ও মানব-সেবা ধর্মের পুণ্য ব্রত নিয়ে স্বার্থমগ্ন সংসারে নিজস্ব রীতিতে পথচলার অন্যতম এক নিঃসঙ্গ পথিকের ধর্ম-জীবন আক্ষরিক অর্থেই ছিল বিরামহীন কর্মসাধনা, অবহেলায় অন্ধকারে পড়ে থাকা মানুষের চোখে আলো জ্বালানোর জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করে যাওয়া।


[লেখক: প্রিন্সিপাল, বেথুন কলেজ, কলকাতা]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here