অস্বাভাবিক আচরণ করছে স্বর্ণ

0
264

দেওয়ানবাগ প্রতিবেদক: সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক আচরণ করছে স্বর্ণের বাজার। এক সপ্তাহে দাম বাড়ার রেকর্ড তো পরের সপ্তাহে পতনের রেকর্ড। আবার দুই দিনের মাথায়ই দামের লাগামহীন ছুট।
গত ১৭ আগস্ট আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরু হতেই স্বর্ণের দাম বাড়ার আভাস মেলে। দিনভর দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪৩ ডলার বেড়ে যায়। এই বড়ো উত্থানের পর ১৮ আগস্টেও লেনদেন শুরু হতে স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম বাড়ে ৩ দশমিক ৯০ শতাংশ।


এর আগে অস্বাভাবিক দাম বেড়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম রেকর্ড দুই হাজার ৭৫ ডলারে ওঠে। তবে এই দাম বাড়ার পর গত ৭ আগস্ট পতনের মুখে পড়ে স্বর্ণ। আর গত সপ্তাহের ১১ আগস্ট স্বর্ণের দামে রীতিমতো ধস নামে। একদিনে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১১২ ডলার কমে যায়।বিশ্ববাজারে এই রেকর্ড দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ আগস্ট দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভরিতে সাড়ে তিন হাজার টাকা কমানো হয় স্বর্ণের দাম।
অবশ্য দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর আগেই বিশ্ববাজারে আবার দাম বাড়ার আভাস দেখা দেয়। বুধবার লেনদেনের শুরুতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২১ ডলার কমে গেলেও লেনদেনের পরবর্তী সময়ে প্রায় ৩০ ডলার বেড়ে যায়। এরপর বৃহস্পতিবারও স্বর্ণের দাম বাড়ে। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৬০ ডলারে উঠে আসে।তবে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শুক্রবার আবার দরপতন হয়। এদিন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১৬ দশমিক ২০ ডলার কমে এক হাজার ৯৪৩ দশমিক ৬৫ ডলারে দাঁড়ায়। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ।


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের এই অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সময় বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘গ্রাহকদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে এবং তাদেরকে বাজারমুখী করতে আমরা স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা বিশ্ববাজারের সঙ্গে আপডেট থাকতে চাই। আমরা পরিস্থিতি দেখব। যদি বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম আবার দুই হাজার ডলারে ওঠে, তাহলে আমরাও দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেব। তবে দুই হাজার ডলারের নিচে থাকলে আমাদের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here