আল্লাহর বন্ধুদের অসিলায় জাতি বিপদ থেকে পরিত্রাণ পায়

1
335

আশেকে রাসুল আল-আমিন ভূঁইয়া
মানুষ আল্লাহর সৃষ্টিসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম সৃষ্টি। প্রতিটি মানুষের মাঝে আল্লাহ্র খলিফা হওয়ার যোগ্যতা বিদ্যমান। মানুষের মধ্য হতে মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর সৃষ্টিজগত পরিচালনা করার জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করেন। দয়াময় আল্লাহ্ তাঁদেরকে এলমুল ক্বালবের জ্ঞান দিয়ে এই বিশ্ব জাহান পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত করেন। তাই যারা মোরাকাবা মোশাহেদা করে আপন ক্বালবের সপ্তম স্তর নাফ্সির মোকামে মহান আল্লাহর পরিচয় লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন, অতঃপর তাঁর সাথে যোগাযোগ করার পদ্ধতি জানেন, তাঁরাই আল্লাহর প্রতিনিধির মর্যাদা লাভ করেন। তাঁদের মাধ্যমেই মহান প্রভুর নুর প্রজ্বলিত প্রদীপরূপে বিকশিত হয়। তাঁদেরকে নবুয়তের যুগে নবি-রাসুল আর বেলায়েতের যুগে বলা হয় অলী-আল্লাহ্। মূলে নবি-রাসুল ও অলী-আল্লাহ্ একই সুঁতোয় গাঁথা। ফলে সাধারণ মানুষ কঠিন কঠিন বিপদ-আপদে তাঁদের অসিলায় আল্লাহ্র পক্ষ থেকে সাহায্য পেয়ে থাকেন।

আল্লাহর বন্ধুগণ হলেন ঐশী জ্ঞানের অধিকারী, ফলে তাঁরা এই সৃষ্টিজগতের সকল ভেদ ও রহস্য সম্পর্কে অবগত। যার ফলে তাঁদের সংস্পর্শে গেলে মানুষ আল্লাহ্র সাহায্য পায়। এমন কিছু ঘটনা মহান রাব্বুল আলামিন তাঁদের দ্বারা ঘটিয়ে থাকেন, যা জাগতিক কোনো জ্ঞান দ্বারা সম্ভব নয়। একথা সত্যি যে, আমাদের হায়াত, মউত, ধন, দৌলত সবকিছু মহান রাব্বুল আলামিনের হাতে। এমনকি আল্লাহর হুকুম ছাড়া গাছের একটি পাতাও নড়েনা। চিন্তার বিষয় হলো, তাহলে নবি-রাসুল ও অলী-আল্লাহ্গণ কীভাবে একজন মৃত মানুষকে জীবিত করেন? একজন কঠিন অসুস্থ ব্যক্তি কীভাবে মুহূর্তেই সুস্থ হয়ে যায়? জন্মান্ধ ব্যক্তি তাঁদের হাতের স্পর্শে কীভাবে চোখের আলো ফিরে পায়? যেহেতু মহামানবগণ আল্লাহর ঐশী শক্তি বা এলমুল ক¦ালবের জ্ঞানে জ্ঞানী বিধায় তাঁদের পক্ষে সবকিছুই করা সম্ভব। কারণ তাঁরাই যে মহান আল্লাহ্র নির্বাচিত প্রতিনিধি। তাঁদের প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ্ পবিত্র কুরআনে বলেন, ‘‘আমার সৃষ্টির মাঝে একটি সম্প্রদায় রয়েছে, যারা মানুষকে সৎ পথ দেখান এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্টা করেন।’’ (সূরা আরাফ ৭ : আয়াত ১৮১)

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আদি পিতা হযরত আদম (আ.) হতে শুরু করে রাহমাতুল্লিল আলামিন হযরত রাসুল (সা.) পর্যন্ত সকল নবি-রাসুলই এলমুল ক্বালবের জ্ঞানের মাধ্যমে অসাধ্যকে সাধন করেছেন। তাঁদের ঐ সকল ঘটনাকে মোজেজা বলা হয়। যেমন- হযরত ঈসা (আ.) কাঁদামাটি দিয়ে পাখি তৈরি করে হুকুম দিলে, তা জীবিত হয়ে যেত। অন্ধ লোকের চোখে স্পর্শ করলে চোখ ভালো হতো। হযরত সুলায়মান (আ.) সকল প্রাণীর ভাষা বুঝতে পারতেন এবং তাঁর সিংহাসন নিয়ে বাতাসের সাহায্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন করতে পারতেন। এমন অসখ্য ঘটনা মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে অত্যন্ত সুন্দরভাবে বর্ণিত হয়েছে।

বিশ্বনবি হযরত রাসুল (সা.) হলেন সর্বকালের, সর্বযুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। হাদিস শরীফে তিনি বলেন- ‘আমি জগতবাসীর জন্য শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছি।’ দয়াল রাসুল (সা.) মহান আল্লাহর পরিচয় লাভ করার জন্য দীর্ঘ ১৫ বছর হেরাগুহায় ধ্যান সাধনা করে প্রভুর দিদার লাভ করে নবুয়ত প্রাপ্ত হন। আল্লাহ্ তাঁর প্রিয় বন্ধুকে পবিত্র কুরআন শিক্ষা দেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ্ পবিত্র কুরআনে বলেন, ‘‘আর রাহমানু আল্লামাল কুরআন।’’ অর্থাৎ- ‘‘রহমান তথা আল্লাহ্ই হযরত রাসুল (সা.)-কে কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন।’’ আল্লাহর জ্ঞানে জ্ঞানী হযরত রাসুল (সা.)-এর হায়াতে জিন্দেগিতে অসংখ্য মোজেজা রয়েছে, যা আলোচনা করে শেষ করা যাবে না। যেমন- হযরত রাসুল (সা.) হযরত জাবের (রা.)-এর দুই পুত্রকে পুনর্জীবিত করেছিলেন। এমনকি দয়াল রাসুল (সা.)-কে মেহমানদারি করার জন্য যে খাশিটি জবেহ করা হয়েছিল, সেটিকেও তিনি জীবিত করে দেন। তিনি তাঁর পবিত্র শাহাদাৎ অঙ্গুলি মোবারকের ইশারায় আকাশের চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করেছিলেন।

আমাদের জন্য সবচেয়ে বড়ো নিয়ামত হলো, মহাগ্রন্থ আল কুরআন। যার ৬,২৩৬ খানা আয়াত এলমুল ক্বালবের পথ ধরেই নাজিল হয়েছে। দেখা গেছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) মজলিসে বসে আছেন, এ অবস্থায় তাঁর ক্বালবে ওহি নাজিল হচ্ছে, যা কেবলমাত্র তিনি একাই উপলব্ধি করেছেন, অপরাপর কেউ কিছুই বুঝতে পারেনি। মহান আল্লাহ্ এলমুল ক্বালবের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ১৩২টি আয়াত নাজিল করেছেন। ক্বালব সম্পর্কে মহান আল্লাহ্ বলেন, ‘‘আমি তোমাদের ক্বালবের (সপ্তম স্তর) নাফসির মোকামে বিরাজ করি, তোমরা কী দেখো না? (সূরা আয যারিয়াত ৫১ : আয়াত ২১) অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে- ‘‘দুর্ভোগ তাদের জন্য, যাদের ক্বালব বা হৃদয় কঠোর, আল্লাহর জিকির থেকে গাফেল বা বিমুখ। তারা রয়েছে প্রকাশ্য গোমরাহিতে।’’ (সূরা আঝ ঝুমার ৩৮: আয়াত ২২) এ আয়াত থেকে স্পষ্টত প্রতিয়মান হয় যে, সৃষ্টির শুরু থেকে অদ্যাবধি প্রত্যেক মহামানব এলমুল ক্বালবের বিদ্যা দিয়েই আল্লাহর পরিচয় লাভ করেছেন। আর এই জ্ঞানের মাধ্যমেই সৃষ্টি জগতের ভেদ ও রহস্য সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ্ বলেন, ‘‘এমন কোনো সৃষ্ট বস্তু নেই, যা আল্লাহর প্রশংসার পবিত্রতা বর্ণনা করে না, কিন্তু তোমরা তাদের তাসবিহ্ বুঝতে সক্ষম হও না’’ (সূরা বনী ইসরাইল ১৭ : আয়াত ৪৪)। মহামানবগণ আল্লাহর জ্ঞানে জ্ঞানী বিধায় তাঁরা সৃষ্টির সকল কিছুর তাসবিহ্ বুঝতে সক্ষম এবং তাঁরা যখন যা নির্দেশ করেন আল্লাহর অপার দয়ায় তাই হয়ে থাকে।

নবুয়ত পরবর্তী বেলায়েতের যুগেও মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর বন্ধুদের অসিলায় আমাদের প্রতি দয়ার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। যেমন: হযরত আবদুল কাদের জিলানি (রহ.) ১২ বছর পূর্বে ডুবে যাওয়া এক বৃদ্ধা মহিলার পুত্র, নববধূসহ বরযাত্রীর সবাইকে পুনর্জীবিত করেন। হযরত খাজা মঈন উদ্দীন চিশতি (রহ.) একটি ছোটো ঘটির মাঝে আনা সাগরের জলরাশি আবদ্ধ করে রাখেন। পরবর্তীতে দেখা গেল ঘটির পানি আনা সাগরে ফেলার সাথে সাথেই সমস্ত সাগর পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। হযরত মোজাদ্দেদ আলফেসানি (রহ.) ঘটনাক্রমে ১২ জন খ্রিষ্টান পাদ্রীর মধ্য থেকে ৬ জনের মৃত্যু ঘটান এবং পরবর্তীতে আবার সেই ৬ জনকে জীবিত করেন। এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করে ১২ জনই তাঁর হাতে হাত দিয়ে বায়েত গ্রহণ করে মুসলমান হন। সুলতানিয়া মোজাদ্দেদিয়া তরিকার ইমাম সৈয়দ আবুল ফজল সুলতান আহমদ (রহ.)-এর অসিলায় ইউসুফ মুন্সী নামে এক ব্যক্তির মৃত স্ত্রী জীবিত হয়ে যায়।

বর্তমান জামানার মোজাদ্দেদ, যুগের ইমাম, মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী আম্বিয়ায়ে কেরামের ধর্মের দায়িত্ব ও বেলায়েত লাভকারী, পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহ্বুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেবলাজানের শিক্ষা গ্রহণ করে অসংখ্য মানুষ কঠিন বিপদে মহান রাব্বুল আলামিনের সাহায্য লাভ করছেন। অসংখ্য অলৌকিক কারামত মহান আল্লাহ্ দয়া করে সূফী সম্রাট হুজুর কেব্লাজানের অসিলায় ঘটিয়ে চলেছেন। যার বর্ণনা স্বল্প পরিসরে আলোচনা করে শেষ করা যাবে না। যেমন- আশেকে রাসুল জাহাঙ্গীর আলম। এক কঠিন চর্মরোগে আক্রান্ত হয়ে দেশ বিদেশের সকল চিকিৎসা করে ব্যর্থ হয়ে সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানের কাছে মোহাম্মদী ইসলামের সবক গ্রহণ করে নিয়মিত ওয়াজিফা পালন করতে থাকেন। পরবর্তীতে দেখা গেল আল্লাহ্ পাকের অপার দয়ায় সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানের অসিলায় কঠিন ব্যাধি থেকে মুক্তি লাভ করেন।

আশেকে রাসুল নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া মোহাম্মদী ইসলামের সবক গ্রহণ করে মোরাকাবা মোশাহেদা করতে করতে এক পর্যায়ে অন্তর্দৃষ্টিতে দেখতে পান, তার কপালে ‘কাফের’ লেখা। বিচলিত হয়ে মহান মোর্শেদের কাছে উক্ত ঘটনা বর্ণনা করলে সূফী সম্রাট হুজুর কেব্লাজান তাকে নিয়ম বলে দেন। সেই অনুযায়ী আমল শুরু করার কয়েকদিন পরেই রহমতের সময় মোরাকাবারত অবস্থায় দেখতে পান যুগের ইমাম সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান রূহানিতে তাঁর সামনে হাজির হন। অতঃপর তিনি নিজের শাহাদাৎ অঙ্গুলি মোবারক দিয়ে নুরের অক্ষরে তার কপালে মুমিন লিখে দেন এবং সেই সময় আশেকে রাসুল নাসির উদ্দিন দেখতে পান, দয়াল রাসুল (সা.) মহান মোর্শেদের পাশে অবস্থান করে মুমিন লেখার এ দৃশ্য তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছেন। সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানের অপার দয়ায় আশেকে রাসুল নাসির উদ্দিন কাফের থেকে মুমিনে পরিণত হন।

যুগের ইমাম সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেব্লাজান এলমুল ক্বালবের জ্ঞান দিয়ে আল্লাহর পরিচয় ও স্বরূপ তুলে ধরার লক্ষ্যে ‘তাফসীরে সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী’ প্রণয়ন করেন। মানবজাতির ইতিহাসে সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানই একমাত্র তাফসীর প্রণেতা, যিনি নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন ও হাদিসের আলোকে মহান আল্লাহর জাত-পাক ও তাঁর ৯৯টি সিফাত বা গুণবাচক নামের পরিচয় উপস্থাপন করে ১১,৩৭৪ পৃষ্ঠা সম্বলিত ‘তাফসীরে সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী’ নামে ৮ খণ্ড তাফসীর প্রণয়ন করেন। সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানের ১ম খণ্ড তাফসীরের মাধ্যমে প্রমাণ করেন- ‘মহান আল্লাহর নুরের রূপ আছে, তিনি নিরাকার নন।’ কিন্তু তিনি আমাদের মতো রক্ত মাংসের দেহধারী নন, তিনি নুরের। এতে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান এলমুল ক্বালবের জ্ঞানে জ্ঞানী বিধায় আল্লাহর পরিচয় এতো সূক্ষ ও বিষদভাবে বর্ণনা করতে পেরেছেন।

জ্ঞান বা এলেম সম্পর্কে হযরত হাসান (রা.) হতে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) এরশাদ করেন- “এলেম বা জ্ঞান হলো দুপ্রকার। যথা: (১) ক্বালবি এলেম, আর এ এলেমই হচ্ছে পরম উপকারী এলেম, (২) মুখের এলেম তথা কিতাবি এলেম; আর এই এলেমই মাখলুকাতের উপর আল্লাহর দলিল।” (তিরমিজি ও মুসতাদরাকে হাকেমের সূত্রে তাফসীরে দুররে মানছুর ২২নং খণ্ড, পৃষ্ঠা ২১) মহান সংস্কারক সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান দুপ্রকার জ্ঞানেই জ্ঞানী এবং বর্তমান জামানার মোজাদ্দেদ। ফলে তাঁর শিক্ষা অনুসরণ করে অসংখ্য মানুষ কঠিন বিপদ-আপদ ও বালা-মুসিবতে মহান রাব্বুল আলামিনের সাহায্য লাভ করে মোহাম্মদী ইসলামই যে পরম শান্তি ও মুক্তির ধর্ম, তা বাস্তবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হচ্ছেন।

পরিশেষে বলতে পারি যে, আমরা জাগতিকভাবে যে জ্ঞান অর্জন করি তা দিয়ে জ্ঞানী গুণী পণ্ডিত হতে পারি, কিন্তু আল্লাহ্ প্রদত্ত জ্ঞান না থাকলে সৃষ্টিজগতের কোনো কিছু সম্পর্কে ধারণা লাভ করার উপায় নেই। যেহেতু আল্লাহ্ ও তাঁর সৃষ্টি সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই তাই আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য পাওয়াও প্রায় অসম্ভব। তাই আল্লাহর সাহায্য পেতে হলে এলমুল ক্বালবের জ্ঞানের অধিকারী মহামানবদের কাছে যেতেই হবে। এলমুল ক্বালবের জ্ঞান ব্যতীত জাগতিক জ্ঞান দিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো মানুষ যেমন আল্লাহর দিদার লাভ করতে পারেনি তেমনি কঠিন কঠিন বিপদে তাঁর সাহায্যও পায়নি। তাই বিপদে আল্লাহর সাহায্য পেতে হলে মহামানবদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

হযরত আদম (আ.) থেকে অদ্যাবধি সকল মহামানবই এলমুল ক্বালবের জ্ঞান তথা মারেফতের জ্ঞান দিয়েই মানুষের কঠিন কঠিন বিপদ দূর করে দিয়েছেন। তাই বর্তমান বিশ্বকে করোনা নামক ভয়াবহ মহামারি থেকে মুক্তি পেতে হলে এলমুল ক্বালবের জ্ঞানে জ্ঞানী যুগের ইমাম সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেবলাজানের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। তাঁর অসিলা ধরে আল্লাহ্ ও আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর কাছে সাহায্য চাইতে হবে। তাহলেই আমরা এই বিপদ থেকে রক্ষা পাব। আমিন।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here