আশুরার অসিলায় অসংখ্য নবি-রাসুল বিপদ-আপদ থেকে পরিত্রাণ পেয়েছেন -সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী

1
430

বিশেষ সংবাদদাতা: মহান সংস্কারক মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেবলাজান বলেন, আগামী ১০ই মহররম পবিত্র আশুরা আল্লাহর অভিষেকের দিন। এই অনুষ্ঠানটা আমরা ব্যাপকভাবে পালন করবো৷ দেশে-বিদেশে যে যেখানে আছেন, আপনারা যার যার এলাকায় এই আশুরার অনুষ্ঠানের প্রচার এখন থেকে শুরু করেন। আমরা দেওয়ানবাগ দরবার শরীফ প্রতিষ্ঠা করেছিলাম এই আশুরার দিনে। দরবার শরীফ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই আশুরার দিনে। এই দিনে আমরা মোহাম্মদী ইসলাম প্রচারের মূল দায়িত্ব লাভ করেছি। সুতরাং এখন থেকেই দেশে-বিদেশে যার যার পরিচিত লোকদের আশুরার অনুষ্ঠানের দাওয়াত দেন। দাওয়াতটা দেন আপনাদের আঞ্চলিক দরবারে ও খানকা শরীফে। তাহলে আগে জানুক আশুরা কি, কি কারণে আশুরা হয়েছে, এগুলো জানুক। আশুরা কোনো যুগেই শিয়াদের অনুষ্ঠান ছিল না। আশুরা আল্লাহর অভিষেকের দিন। আল্লাহর অভিষেকের দিনের বরকতে নবি-রাসুলদের বিপদ-আপদ, বালা-মুসিবত যা ছিলো, এই দিনে আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়ে তাদেরকে সাহায্য করেছেন। সুতরাং মহব্বতের সাথে এই আশুরার নিয়ত করেন, আশেকে রাসুলদেরকে দাওয়াত দেন, বেজাকেরদেরকে দাওয়াত দেন এবং আপনাদের এলাকায় যারা তরিকা নিতে চায় জলসায় নিয়ে আসেন। আমরা এখান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সবক দিয়ে দেবো। সুতরাং মনযোগ দিয়ে তরিকার আমল করেন এবং মোহাম্মদী ইসলামের প্রচারটা জোরদার করেন।
তিনি গত ১৪ আগস্ট, শুক্রবার রাজধানী ঢাকার মতিঝিলের আরামবাগস্থ বাবে রহমত দেওয়ানবাগ শরীফে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত সাপ্তাহিক আশেকে রাসুল (সা.) মাহ্ফিলে হাজার হাজার আশেকে রাসুলদের উদ্দেশে বাণী মোবারক দিচ্ছিলেন।
সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী বলেন, মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমরা তরিকার কার্যক্রম থেকে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছি। অর্থাৎ সামনাসামনি বসে আমরা যে অনুষ্ঠান করতাম, সেটা বন্ধ হয়ে গেছে। আমি চিন্তা করেছি এখন থেকে প্রত্যকটি খানকা শরীফে, আঞ্চলিক দরবার শরীফে নিয়মিত আপনারা প্রোগ্রাম চালু রাখবেন। খানকা শরীফের কার্যক্রম নিয়মিত চালিয়ে যাবেন। তাহলে আপনাদের মধ্যে প্রেম মহব্বতটা আবার ফিরে আসবে। আপনারা যেমন আমাকে দেখার জন্য পাগল থাকেন, আমিও তো আপনাদেরকে দেখতে চাই। দেখতে না পেয়ে আমারও তো কষ্ট হয়। আপনারা নিয়মিত প্রত্যেকটি খানকা শরীফে ও আঞ্চলিক দরবার শরীফগুলোতে অনুষ্ঠান চালিয়ে যাবেন। তবে সরকারি নিয়ম মেনে চলবেন, এর ব্যতিক্রম চলবেন না।
সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী বলেন, এখনতো সব মসজিদে জামাতে নামাজ হয়। খানকা, মসজিদ এক কথাই। আগে খানকা শরীফ ছিলো, পরবর্তীতে মসজিদ হয়েছে। মসজিদে শুধু নামাজ পড়া হয় আর খানকা শরীফে ধর্মের তালিম দেওয়া হয়। কিভাবে ইবাদত কবুল হবে, সেগুলো তালিমের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হয়। পাশাপাশি নামাজ পড়া হয়। দেশে-বিদেশে আমাদের যত দরবার শরীফ, খানকা শরীফ আছে সর্বত্র এখন থেকে নিয়মিত কার্যক্রম আপনারা চালিয়ে যাবেন। আরেকটা কথা সেটা হলো, আমরা আশেকে রাসুল হওয়ার জন্য মানুষকে দাওয়াত দিয়ে দরবার শরীফে নিয়ে আসি। এখন সরকারি কার্যক্রমের কারণে মানুষ আসতে পারে না। দূর থেকে ফোন করে কান্নাকাটি করে। আপনারা নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যান। কোনো জায়গায় সমস্যা হলে, ফোনের মাধ্যমে আমাদের দরবার শরীফে যোগাযোগ করবেন। আমার ছেলেরা আছে, এদের সাথে কথা বলবেন, এদের পরামর্শ নিবেন। এদের পরামর্শ যদি আপনার মন মতো না হয়, তখন আমার নাম্বারে যোগাযোগ করবেন। এরাই আপনাদের কথাটা আমাকে জানাবে, আমার কাছ থেকে শুনে সমাধান দিবে৷ আপনারা নিয়মিত সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে খানকা এবং দরবার শরীফের কাজ চালিয়ে যান।
সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী বলেন, অতীতে যে কোনো বিপদ আসলে মানুষ মসজিদে গিয়ে মিলাদ শরীফ পড়ে আল্লাহর সাহায্য চাইতো। এখন ঐ মসজিদটাই বন্ধ, তাহলে আল্লাহর সাহায্যটা আসবে কিভাবে আমাদের কাছে। আমরা যদি মসজিদে ইবাদতখানায় গিয়ে আল্লাহর সাহায্য পেতে না পারি। তাহলে কোথা থেকে সাহায্য পাবো? সুতরাং দরবার শরীফে যোগাযোগ করে খানকা শরীফে গিয়ে নিজেদের সমস্যা সম্মন্ধে আলোচনা করবেন এবং আঞ্চলিক দরবার থেকে আমাদের কেন্দ্রীয় দরবার শরীফে যোগাযোগ করে জানাবেন। এখানে আমার ৪ ছেলে আছে। এদের মধ্যে মেজো হুজুরকে আমি দায়িত্ব দিয়েছি যত দরবার শরীফ আছে সেগুলোর সাথে যোগাযোগ করতে। আমাদের ১১টা দরবার শরীফ আছে। ১১টা দরবারের সমস্যার সমাধান করার মতো বয়স আমার এখন আর নেই। মেজো হুজুরকে বলেছি, তুমি এই ১১টা দরবার অর্থাৎ আমাদের দেওয়ানবাগের যত সমস্যা আছে তুমি সমাধান করবে। আরেকজনকে (সেজো হুজুর) বলেছি, তুমি দরবার শরীফ এবং আমাদের যত সম্পত্তি আছে, সেগুলোর হিসাবপত্র দেখা শোনা করবে৷ ছোটো হুজুরকে বলেছি, তুমি মদিনার রওজা শরীফ এবং আমাদের উটের খামার, গরুর খামার, মেষের খামার এগুলোর দেখা শোনা করবে। এইভাবে এরা এগুলো দেখাশোনা করে এবং এদের চালানোর জন্য দরবার শরীফ ভাগ করে দিয়েছি যে, এই দরবারগুলো তোমরা চালাও। আমি চাচ্ছি আমি থাকতে থাকতেই এরা চালানো শিখুক এবং আপনাদেরকে সাহায্য করুক। যদি কোনো অসমাপ্ত কিছু থাকে সেটা আমি পরামর্শ দিবো।
সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী বলেন, রাহমাতুল্লিল আলামিন হযরত রাসুল (সা.)-এর জামানায় একদল মুনাফেক ছিলো, যারা রাসুলের সাথে ছিলো, তাঁর ভক্ত ছিলো, কিন্তু পরে মুনাফেকি করে বিরোধিতা করেছে৷ আমার এখানেও স্বার্থপর লোক নিজের জন্য এসে উল্টা পাল্টা কাজ করে মুনাফেকি করেছে। আমি যখন বুঝতে পেরেছি এই লোক তো ক্ষতির কারণ, তখন আমি তাকে বহিষ্কার করে দিয়েছি। আপনারা মনে করবেন না যে, তার (সাঈদুর) ক্ষমতা আছে, তার স্ত্রীর ক্ষমতা আছে, সে কুতুবুল আকতাব। কুতুবুল আকতাব তো মোজাদ্দেদের নির্দেশে পরিচালিত। মোজাদ্দেদের নির্দেশের বাহিরে ক্ষমতা দেখাবার অধিকার কুতুবুল আকতাবের নেই। কোনো অলী-আল্লাহরও নেই। সুতরাং সে যেহেতু তার স্বামীর পথ ধরেছে, সে নিজেও বিপথগামী। আমি প্রয়োজনের কারণেই মহিলাদের দিয়ে তরিকা দেই, ক্বালব দেখিয়ে দেই। আর পুরুষদেরকে বলে দেই যেখানে উপযুক্ত লোক নেই আপনারা আপনাদের স্ত্রীকে ক্বালব আপনারা নিজেরা দেখিয়ে দেন। যদি স্বামী স্ত্রীকে ক্বালব দেখিয় দেয়, এতে কি স্বামী পির হয়ে যায়? আমরা এরকম কাজের সুবিধার জন্য এই ব্যবস্থা নেই। জগতের কোথাও মাইক দিয়ে যার যার ক্বালব দেখিয়ে তরিকা চালু আছে আমার জানা নেই। দেখেন সম্মেলনে লক্ষ লক্ষ লোক হয়, এই লক্ষ লক্ষ লোককে ক্বালব দেখালে সারা দিন সারা রাত দিলেও ২ দিনে শেষ করতে পারবো না। পরে মাইক দিয়ে বলে দেই আপনাদের ডান হাতের শাহাদাত আঙ্গুল নিয়ে বাম পাশের ক্বালবে স্পর্শ করেন। করার পরে আমি বলে দেই, পুরোনা জাকের যারা আছে তারা ক্বালবটা ঠিক করে দেন। আর যারা হাত দিয়েছে সবাইকে বলে দেই, দেখেন আমার নির্দেশে ক্বালবে আল্লাহ আল্লাহ জ্বিকির চালু হচ্ছে। রাব্বুল আলামিনের অসীম দয়ায় ক্বালব চালু হয়। এভাবেই বিদেশ থেকে আমার কাছে ফোন করে কান্নাকাটি করে, আমি তাদের ভাষাও বুঝি না। কিন্তু তওবা পড়িয়ে ক্বালব দেখিয়ে দেই। বলে দেই আপনি আপনার ক্বালব ধরেন এবং আল্লাহ আল্লাহ জ্বিকির খেয়াল করেন। ওইখানে আমাদের যে জাকেররা আছে, তারা নিয়ম-কানুন বলে দেয়। সেই অনুযায়ী আমল করে তারা রাসুলে পাক (সা.)-কে দেখে। ক্বালবে আল্লাহর জ্বিকিরও চালু হয় এবং অনেকে আশেক হয়ে যায়।
সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী বলেন, আমাদের রাসুল (সা.) মদীনা শরীফে ১৪০০ বছর আগে ইন্তেকাল করেছেন। আমরা এখন রাসুলের নামে তরিকা প্রচার করে সবক দিচ্ছি টেলিফোনের মাধ্যমে এবং মোবাইলের মাধ্যমে। এতেই তারা রাসুল (সা.)-এর দিদার পাচ্ছে। আশেকে রাসুল হচ্ছে৷ আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে দেখতে পারবেন কারা কারা রাসুলকে দেখেছে, কি অবস্থায় দেখেছে। আপনারা যারা বিদেশে আছেন, দেশে আছেন আপনারা এইভাবে কাজ করেন অবশ্যই রাসুলকে পাবেন, আল্লাহকে পাবেন।
তিনি বলেন, এই ফেতনায় আপনারা পড়বেন না। আপনাদের মোর্শেদ কে? (জবাবে সবাই বললো বাবা দেওয়ানবাগী) তাহলে অন্য কেউ মোর্শেদ দাবী করলে, তাকে যে বিশ্বাস করে, সে তো আপনা আপনি বিপথগামী। জেনে শোনে বিপথগামী। সুতরাং আপনারা নিয়মিত তরিকার কাজ করেন। আর ওই লোকটা (সাঈদুর) একটা প্রতারক। কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে দরবারের ক্ষতি করেছে। সে চেষ্টা করেছে নিজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য। চক্রান্ত করে কি অলী-আল্লাহ হওয়া যায়? সুতরাং তাকে বিশ্বাস করবেন না। সে মুনাফিক, বিপথগামী। তার স্ত্রী তার পরামর্শ মতো চলে, সেও বিপথগামী। তার স্ত্রী যাদেরকে ক্বালব দেখিয়ে দিয়েছে, আপনারা বিশ্বাস করবেন না যে, তার কথা মতো না চললে আপনার ক্বালব বন্ধ হয়ে যাবে। সেতো ক্বালব চালায় না। ক্বালব চালাই তো আমি। সুতরাং তার করার কিছু নেই৷ যারা এদের ফাঁদে পড়েছে, এরা ক্ষতিগ্রস্থ। এরা বিপথগামী। এরা বিপথগামীর দলে শামিল। মনোযোগ দিয়ে তরিকার কাজ করেন। আর দরবারের সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী বলেন, এই মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমরা কয়েকটা অনুষ্ঠান করতে পারিনি। একারণেই আমরা এই পথ (অনলাইন প্ল্যাট ফর্মের মাধ্যমে) বেছে নিয়েছি। আল্লাহ যদি আমাদেরকে সাহায্য করেন আশুরার অনুষ্ঠানটা আমরা এই পদ্ধতিতেই (অনলাইন প্ল্যাট ফর্মের মাধ্যমে) পালন করবো। এতদিন তো মনে হয়েছে, আমি আছি কি নেই। প্রচার করছে আমি নেই। এখন যে আমি কথা বলছি, আমি কি আবার জীবিত হয়ে আসলাম? প্রতারকরা চেষ্টা করেছে আমাকে আড়াল করে তারা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য। সুতরাং এদের কথা বিশ্বাস করবেন না। স্বার্থপর লোক হযরত রাসুল (সা.)-এর যুগেও ছিল, অন্যান্য আওলিয়া কেরামের যুগেও ছিল। এখনও আছে, আমার দরবারেও আছে৷ আমি আগে কয়েক দফা একের পর এক গ্রুপ বের করে দিয়েছি। আমি যাদের দ্বারা ফেতনা হবে ভেবেছি, এদের বের করে দিয়েছি। এই বিদায়ের পাল্লায় শেষ পর্যন্ত সাঈদুরও পড়েছে, তার স্ত্রী, তার ছেলেরাও পড়েছে।
সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী বলেন, আমি বুঝি না আমার জাকেরদেরকে কেন বুঝাতে হয়, সে বিপথগামী। আপনারা ফায়েজের ঘ্রাণ তো বুঝেন। কে সুপথে আছে, কে বিপথে গেছে, দেখলেই তো বুঝা যায়। ফায়েজই তো বলে দেয়। সুতরাং আপনারা সিরাতুল মুস্তাকিমে আছেন, সেভাবে থাকেন, সেভাবে চলেন। নিয়ম মতো কাজ করে যান। আমি যখন অসুস্থ ছিলাম ওই অবস্থায় যদি আল্লাহ আমাকে উঠিয়ে নিয়ে যেতেন, তাহলে হয়তো আমি আপনাদেরকে এই পরামর্শগুলো দিতে পারতাম না। কিন্তু আমার আল্লাহ সুযোগ করে দিয়েছেন আমি যেন আপনাদেরকে পরামর্শ দিয়ে যেতে পারি। আপনারা সিরাতুল মুস্তাকিমে চলেন।
সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী বলেন, সাধারণত সবজায়গায় মেজো হুজুর যোগাযোগ করে, ছোটো হুজুর যোগাযোগ করে, সেজো হুজুর যোগাযোগ করে, বড়ো হুজুরও যোগাযোগ করে। আপনাদেরকে তাঁরা যেভাবে পরামর্শ দেয় সেভাবে চলবেন। মহব্বতের সাথে নিয়মিত তরিকার কাজ করবেন।
তিনি বলেন, আমি কাউকে উল্টাপাল্টা শিক্ষা দিতে পারি না। আমার মোর্শেদ একযুগ হাতে কলমে তাঁর কদমে রেখে আমাকে তরিকা শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর শিক্ষা পেয়েই আমি রাসুলের ধর্মের অসংখ্য সংস্কার করেছি। আমি যে সংস্কার করেছি সে সংস্কারের কথা আমার মোর্শেদ আমাকে শিক্ষা দিয়েছেন। আমার মোর্শেদ আমাকে একটা আলো দিয়েছেন, সেটা দিয়ে দেখে ধর্মের কোনটা কি হওয়া উচিৎ সেটা আমি ঠিক করছি।
সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী বলেন, আপনারা বিশ্বাসের সাথে তরিকার আমল করবেন এবং প্রতি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠানটা পালন করবেন। বাড়িতে পারেন, খানকা শরীফে পারেন, আঞ্চলিক দরবার শরীফে পারেন, গিয়ে অনুষ্ঠানগুলো পালন করবেন। দেশের পরিস্থিতি ঠিক হলে, আমরা প্রকাশ্য সবার কাছে আহ্বান জানাবো। এখন এভাবেই কাজ চালিয়ে যেতে হবে। বিদেশে গিয়ে আমার আলোচনা করার সুযোগ হবে না। সুতরাং এই সিস্টেমে বিদেশে জাকেরদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। আপনারা মহব্বতের সাথে তরিকার কাজ করবেন। আর আপনার কি কি দোষ আছে সেই দোষগুলো দূর করেন। মোরাকাবা করে মোর্শেদের কাছে আজিজি করেন এবং নিয়মিত মোরাকাবা চালু রাখেন। মোরাকাবার মাধ্যমেই নবি-রাসুলগণ আল্লাহকে পেয়েছেন। আসুন রাব্বুল আলামিনের সাহায্য চাই তিনি যেন দয়া করে আমাদেরকে সাহায্য করেন।
বাদ জুমা সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত সাপ্তাহিক আশেকে রাসুল (সা.) মাহ্ফিলে আশেকে রাসুলদের উদ্দেশে বাণী মোবারক প্রদান করে আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন।
মাহফিলে মহান সংস্কারক, সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানের মঞ্চে তাশরিফ আনার পূর্বে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ মাহফিল শেষে বক্তব্য রাখেন, কনিষ্ঠ সাহেবজাদা ইমাম ড. সৈয়দ এ.এফ.এম. মঞ্জুর-এ-খোদা (মা. আ.), মেজো সাহেবজাদা ইমাম ড. আরসাম কুদরত এ খোদা (মা. আ.) ও জ্যেষ্ঠ সাহেবজাদা ইমাম ড. সৈয়দ এ.এফ.এম. নূর-এ-খোদা আল আজহারী (মা. আ.)
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা ও সার্বিক দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন মেজো সাহেবজাদা ইমাম ড. আরসাম কুদরত এ খোদা (মা. আ.)।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here