এনজিওর ঋণ ফেরত দিতে হবে না সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

0
285

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক: এনজিও বা ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে যেসব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ব্যবসা করছেন, আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের কাউকে নতুন করে ঋণ খেলাপি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ২৩ জুন  মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

সনদপ্রাপ্ত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এই প্রজ্ঞাপন পাঠানো হয়েছে। এর আগে এমআরএ গত ২২ মার্চ প্রজ্ঞাপন জারি করে ৩০ জুন পর্যন্ত কাউকে ঋণ খেলাপি না করার নির্দেশ দিয়েছিল। নতুন প্রজ্ঞাপনে সেটি  আরও তিন মাস সময় বাড়ানো হলো।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে করোনা ভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব ও ক্ষুদ্র ঋণ গ্রাহকদের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত ২২ মার্চ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঋণ শ্রেণিকরণের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল- চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। অর্থাৎ এ সময়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করলেও কাউকে ঋণ খেলাপি ঘোষণা করা যাবে না। তবে কোনও ঋণের শ্রেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে।’

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘করোনার কারণে অর্থনীতির অধিকাংশ খাতই ক্ষতিগ্রস্ত এবং এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় শিল্প, সেবা ও ব্যবসা খাত তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না। বর্ণিত বিষয়াবলী বিবেচনায় এবং ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর করোনার নেতিবাচক প্রভাব সহনীয় মাত্রায় রাখার লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না।’

প্রজ্ঞাপনে আরও  বলা হয়, ‘এই সংকটকালীন সময়ে ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ গ্রহীতাদের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনও আগ্রহী সক্ষম গ্রাহক ঋণের কিস্তি পরিশোধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনও বাধা থাকবে না।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here