কবিতা

0
203

চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর এক যুগ
আশেকে রাসুল আলমগীর হোসেন

দেখো পূর্ণিমার চাঁদ- প্রেমানন্দে জ্বলমল করছে।
দেখো পূর্ণিমার চাঁদ- ঐশী প্রেমের অহংকারে বলছে-
“আমারই মাঝে দেওয়ানবাগীর চেহারা দেখা যাচ্ছে।”
‘মারহাবা ইয়া দেওয়ানবাগী’ দিকে দিকে ধ্বনিত হচ্ছে।
রেশমি রুমালে নবিদের ছবি- যেমন আল্লাহর নিদর্শন।
তেমনি ‘পূর্ণিমার চাঁদে দেওয়ানবাগী’- আল্লাহর বাণীর সত্যের নিদর্শন,
৭৩ ফেরকার প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে
যেন ভাগ্যবানেরা চিনতে পারে
নাজাতি দলটির ইমাম কোন জন- বর্তমান বিশ্বে,
আল্লাহর ধর্ম পরিপূর্ণ আছে- কোন জনার কাছে?
সব ধর্মের মানুষ মুক্তি পাবে তাঁকে বিশ্বাসে।
‘পূর্ণিমার চাঁদে দেওয়ানবাগী’
আল্লাহর দেওয়া পুরস্কার!
তার ১ যুগ পূর্তি উৎসবে খোলা
জান্নাতের সকল দুয়ার!
বাবাজান আমাকে করুন কবুল
বানান চরিত্রে আশেকে রাসুল।
প্রতি মুহূর্তেই সুস্থ দেহে থাকুন দীর্ঘ জীবন বেঁচে,
আপনার মতো ভালোবাসে এমন কে আছে?
আপনি থাকলেই ঐশ্বরিক ঈদ পাবো, প্রতিটি নিঃশ্বাসে।

সূফী সম্রাট
আবদুর রহীম

শান্তি ও মুক্তির দূত তুমি, হে সূফী সম্রাট!
বিশ্ব মাঝে তুমিই সেই, মুক্তির কান্ডারী।
কুল কায়েনাত ছিল অপেক্ষায়, তোমায় পাবার তরে,
অবশেষে বাংলায় এলে তুমি, ১৪ ডিসেম্বরে।
চাঁদ হয়ে আসলে যেদিন, মা জোবেদার কোলে,
পৃথিবীর বুকে জাগলো আবার, মোহাম্মদী ইসলাম,
সকল অলীর বাদশা তুমি, হাদিউল ইমাম।
মহান প্রভুর ভবিষৎ বাণী বাস্তবে রূপ নিল,
আশেকেরা পূর্ণিমার চাঁদে তোমায় দেখতে পেল।
আল্লাহ্-রাসুলের পক্ষ থেকে তুমি দায়িত্ব প্রাপ্ত,
ইসলাম ধর্মের সংস্কার করতে তুমি আবির্ভূত।
হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, মুসলিম সকল ধর্মের লাগি,
বেলায়েত প্রাপ্ত হয়েছ তুমি মুক্তির কান্ডারী।
যুগে যুগে আসেন মহামানব এ ধূলির ধরাতে,
মানবজাতিকে করতে চরিত্রবান নুরের আলোতে।
নক্ষত্রতুল্য হয়েছে মানুষ, হয়েছে ইমানের অধিকারী,
সূফী সম্রাটের শিক্ষা আত্মশুদ্ধি, দিল জিন্দা, নামাজে হুজুরি।
নুরে মোহাম্মদীর ধারক দেওয়ানবাগী,
দিচ্ছেন সেই শিক্ষা মানব মুক্তির লাগি।
আশেকে রাসুল গড়েন তিনি বর্তমান এ যুগে,
আল্লাহ ও রাসুলের দিদার মিলে তাঁর অনুসরণে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here