করোনার কারণে দেশের মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতিরও অবনতি

0
293

দেওয়ানবাগ প্রতিবেদক: করোনা মহামারির মধ্যেই বিদায় নিয়েছে ২০১৯-২০ অর্থ বছর। সদ্য বিদায়ী অর্থ বছরে দেশে মূল্যস্ফীতির অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়েছে। এ অর্থ বছরে (২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০-এর জুন পর্যন্ত) গড় মূল্যস্ফীতির হার নিরূপিত হয়েছে শতকরা ৫ দশমিক ৫৬ ভাগ। তার আগে একই সময়ে (২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত) গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৪৮ ভাগ। অর্থাৎ বিদায়ী অর্থ বছরে গড়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে দশমিক শূন্য আট ভাগ।

৬ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে এসব তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুারোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বিবিএসের তথ্য মতে, জুনে অনেক বেড়েছে মূল্যস্ফীতির হার। জুনে মূল্যস্ফীতির হার জাতীয় পর্যায়ে হয়েছে ৬ দশমিক ০২ ভাগ, যা মে মাসে ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৩৫ ভাগ। ২০১৯ সালের জুনে ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৫২ ভাগ। চলতি জুনে খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে শতকরা ৬ দশমিক ৫৪ ও ৫ দশমিক ২২ ভাগ, যা চলতি বছরের মে মাসে ছিল যথাক্রমে শতকরা ৫ দশমিক ০৯ ও ৫ দশমিক ৭৫ ভাগ।
গ্রামীণ পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা ৬ দশমিক ০২ ভাগ, যা মে মাসে ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৬৫ ভাগ। শহর পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ০৩ ভাগ, যা মে মাসে ছিল ৪ দশমিক ৮১ ভাগ।

জুনের মূল্যস্ফীতি হ্রাস-বৃদ্ধি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, চাল, ডিম, ব্রয়লার মুরগি, শাকসবজি (আলু, পটল, বেগুন, বরবটি, ঢেঁড়স, করলা, টমেটো, গাজর, পেঁপে ইত্যাদি), মসলার (শুকনা মরিচ, আদা, রসুন ইত্যাদি) মূল্য মে মাসের তুলনায় জুনে বেড়েছে।

মজুরির হারও বেড়েছে জুনে। জাতীয় পর্যায়ে জুনে মজুরি হার হয়েছে ৫ দশমিক ৯০ভাগ, যা মে মাসে ছিল ৫ দশমিক ৮৯ ভাগ। জুনে তিনটি বৃহৎখাত (কৃষি, শিল্প ও সেবা) মজুরি হার যথাক্রমে ৬ দশমিক ১৮, ৫ দশমিক ৩১ ও ৫ দশমিক ৭৮ ভাগ, যা মে মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৬, ৫ দশমিক ২৯ ও ৫ দশমিক ৭৫ ভাগ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here