পঞ্চাশ জনের তাবারুক তিনশ পঞ্চাশ জনে খেল

0
310

আশেকে রাসুল সিরাজুল ইসলাম, যশোর জেলার অধিবাসী। তিনি ঢাকার বাড্ডা এলাকায় থাকেন। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০০ সালে। ঘটনার দিন তিনি তার গ্রামের বাড়িতে আশেকে রাসুল (সা.) মিলাদ মাহফিলের অনুষ্ঠান করেন। তিনি পঞ্চাশ জন লোকে খেতে পারে এ পরিমাণ তাবারুক রান্না করেন। এদিকে তার বড়ো ভাই এলাকার বড়ো মাওলানা। তিনি মিলাদ শরীফের আয়োজন করবে জেনে সে বিষয়টি ভালোভাবে নিতে পারেনি। আমেকে রাসুল সিরাজুল ইসলামকে ডেকে বলল, “যেই তাবারুকের আয়োজন করেছ, তাতে তো বাড়ির লোকেরই হবে না। তুমি তো দেখছি বাড়ির মান-সম্মান নষ্ট করবে।” আশেকে রাসুল সিরাজুল ইসলাম বললেন- “আমার মোর্শেদ যুগের ইমাম, মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী, পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগী হযরত রাসুল (সা.)-এর ধর্ম প্রচার করেন। রাসুলের একটা বরকত আছে না?” এদিকে পুরো এলাকা জুড়ে মিলাদের জলসার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। অবিশ^াস্যভাবে অনুষ্ঠানে তিনশ’ পঞ্চাশ জন লোক হয়ে যায়। তিনি মিলাদ ও মোনাজাত শেষ করে সবার উদ্দেশ্যে বললেন- আপনারা সবাই তাবারুক খেয়ে যাবেন। অতঃপর আল্লাহ ও আল্লাহর বন্ধুর স্মরণে তাবারুক বিতরণ শুরু করেন। অবিশ^াস্য হলেও সত্য যে, উপস্থিত সাড়ে তিনশ লোক তৃপ্তির সাথে তাবারুক খায়। অথচ মাত্র পঞ্চাশ জনের জন্য রান্না করা তাবারুক সামান্যও কমেনি।
এ ঘটনার পরের দিন এলাকার মসজিদে আলোচনা হয় যে, রাহমাতুল্লিল আলামিন হযরত রাসুল (সা.)-এর বরকতের ইসলাম আওলিয়ায়ে কেরামই প্রচার করছেন। দেওয়ানবাগ শরীফের মিলাদের অনুষ্ঠানে যে ঘটনা ঘটেছে, এরূপ ঘটনাই রাসুলের যুগে ঘটেছে। সেদিন মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর অলী-বন্ধুর অসিলায় তাবারুকে অফুরন্ত বরকত দিয়ে যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার আড়াপাড়া গ্রামে মোহাম্মদী ইসলামের সত্যতা প্রমাণ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here