পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রবিবার দেওয়ানবাগ শরীফে আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন

0
497

বিশেষ প্রতিনিধি: আগামী ৩০ আগস্ট, রবিবার পবিত্র আশুরা ও দেওয়ানবাগ শরীফের ৩৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে রাজধানীর মতিঝিলের বাবে রহমত, দেওয়ানবাগ শরীফে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন।

আরবি আশারা শব্দ থেকে আশুরা শব্দের উৎপত্তি। আশুরা শব্দের অর্থ ১০। আর সে কারণে দিনটিকে আশুরা বলে অভিহিত করা হয়। পবিত্র আশুরা আল্লাহর অভিষেকের দিন। এ দিনে মহান আল্লাহ আরশে সমাসীন হয়েছেন।

মহান সংস্কারক, মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেবলাজানের আহ্বানে এ সম্মেলনে পৃথিবীর শতাধিক দেশের আশেকে রাসুলগণ  এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত আঞ্চলিক দরবার শরীফ, খানকা শরীফ ও আশেকে রাসুল মজলিস থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ আশেকে রাসুলগণ অশেষ ফায়েজ, রহমত ও বরকত লাভের প্রত্যাশায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। 

অনুষ্ঠানটি বাবে রহমত থেকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

সম্মেলনে পবিত্র আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্যসহ ইসলামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং সূফী সম্রাট হুজুর কেব্লাজানের ধর্মীয় সংস্কার ও শিক্ষা পদ্ধতির ওপর দেশ-বিদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি চিন্তাবিদ এবং ওলামায়ে কেরাম বক্তব্য রাখবেন।

সম্মেলনের আহ্বায়ক সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেব্লাজান বাদ যোহর তাঁর মহামূল্যবান বাণী মোবারক প্রদান করে বিশ্ববাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করবেন।

দিনটি মুসলিম উম্মার কাছে একাধারে মহিমান্বিত ও বেদনাবিধূর হিসেবে পরিচিত। ৬১ হিজরির এ দিনে কারবালার প্রান্তরে সংঘটিত হয়েছিল এক বিয়োগান্তক ঘটনা। এ ঘটনা স্মরণে বিশ্বের মুসলমানরা প্রতি বছর এ দিনটিকে পবিত্র আশুরা হিসেবে পালন করে থাকে। এ দিনে ফোরাত নদীর তীরে কারবালার ঐতিহাসিক প্রান্তরে মহানবি হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসাইন শাহাদত বরণ করেন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার যুদ্ধে সেদিন দুরাচার এজিদ বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরের মতো লড়াই করে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্য, সহচর ও সহযোদ্ধারা নিহত হন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার তাঁর এ আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনুকারণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

উল্লেখ্য যে, সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেবলাজানের প্রস্তাব মেনে নিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৫ সালে পবিত্র আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে তথ্য বিবরণী প্রকাশ করে এবং জাতিকে এ দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালনের আহবান জানানো হয়।

এই আশুরার দিনে সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান ১৯৮৫ সালে দেওয়ানবাগ শরীফ প্রতিষ্ঠা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here