পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি

9
1120
সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান।

দেওয়ানবাগ ডেস্ক: মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন এ পৃথিবী সৃষ্টি করে পথভোলা মানুষের হেদায়েতের জন্য ১ লক্ষ ২৪ হাজার নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। তাই নবুয়ত পরবর্তী বেলায়েতের যুগে তিনি অসংখ্য অলী-আল্লাহ্ প্রেরণ করে আসছেন। কিন্তু পৃথিবী সৃষ্টি হওয়ার পর যে ঘটনা কখনো ঘটেনি, এমন একটি বিস্ময়কর ঘটনা মহান আল্লাহ্ ঘটালেন ২০০৮ সালের ১০ অক্টোবর। আর তা হলো- পূর্ণিমার চাঁদে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ এক মহামানবের উজ্জ্বল নুরানি চেহারা মোবারক দেখতে পায়। তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন মহান সংস্কারক, যুগের ইমাম সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহ্বুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেবলাজান। তখন থেকে প্রতি মাসেই পূর্নিমার চাঁদে এই মহামানবকে দেখতে পাওয়া যায়। আর সে কারণেই প্রতি মাসে পূর্ণিমার রাতে সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ঢাকার আরামবাগস্থ বাবে রহমত দরবার শরীফসহ দেশের ১১টি দরবার ও সমস্ত খানকাহ্ শরীফসহ এলাকায় এলাকায় ‘আল্লাহর দেওয়া পুরস্কার : পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি’ নামে একটি বিশেষ শোকরানা অনুষ্ঠান পালন করা হয়ে থাকে। এ বরকতময় অনুষ্ঠানটি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আশেকে রাসুলগণ উদযাপন করে থাকেন। যেহেতু ২০০৮ সালের পূর্ণিমার চাঁদে সূফী সম্রাটের নুরানি চেহারা মোবারক দেখা গেছে, তাই প্রতি বছর শাওয়াল মাসের পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি নামক এই বিশেষ বরকতপূর্ণ অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয়। তবে এবছর করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি অনুষ্ঠানটি কেন্দ্রীয়ভাবে বাবে রহমত দেওয়ানবাগ শরীফে উদযাপন করা হবে না। কিন্তু দেওয়ানবাগ শরীফের আঞ্চলিক দরবার ও খানকাহ্ শরীফগুলোতে এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিশ্ব আশেকে রাসুল সংস্থার উদ্যোগে আশেকে রাসুল মিলাদ মাহ্ফিল ও শোকরানা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য যে, সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজান যখন মাতৃগর্ভে ছিলেন, তখন এক রাতে তাঁর মহীয়সী মাতা হযরত সৈয়দা জোবেদা খাতুন (রহ.) স্বপ্নে দেখেন- আকাশে ঈদের চাঁদ উদিত হয়েছে। আর সকলেই সেই চাঁদ দেখছেন। সূফী সম্রাটের মাতা সাহেবানীও ঈদের চাঁদ দেখতে বাইরে বের হয়েছেন। এমন সময় ঐ ঈদের চাঁদটি আকাশ হতে তাঁর কোলে নেমে আসে। আল্লাহর অপার দয়ায় রাতে এ মোবারক স্বপ্ন দেখার পরদিন সকাল ১০টায় আকাশের চাঁদরূপী সূফী সম্রাটের শুভ জন্ম হয়। শাওয়ালের ঈদের চাঁদ যেমন ছোট থাকে এবং পূর্ণিমার রাতে তা পূর্ণতা লাভ করে বিশ্বকে আলোকিত করে তোলে, তদ্রূপ সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজান যখন আল্লাহর রূপসত্তার পরিচয় বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছেন, ঠিক তখনই মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন এ মহামানবকে পূর্ণিমার চাঁদে দেখিয়ে তাঁকে এক দুর্লভ সম্মানে ভূষিত করেছেন।

মহান রাব্বুল আলামিন সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজানকে চাঁদে দেখিয়ে জগৎবাসীকে জানাতে চেয়েছেন যে, সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান এ যুগে আল্লাহর শ্রেষ্ঠ বন্ধু। মহান আল্লাহ্ সূফী সম্রাটকে ১৯৮৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর মোজাদ্দেদ (সংস্কারক) হিসাবে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। ১৯৮৮ সালের ২৪ আগস্ট (আশুরার দিন) তিনি হাদিগণের ইমামের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৮৯ সালের ৫ এপ্রিল হযরত রাসূল (সা,) কর্তৃক মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী খেতাবে ভূষিত হন। ১৯৯৬ সালের ২ অক্টোবর হযরত ইব্রাহিম (আ.) কর্তৃক আম্বিয়ায়ে কেরামের বেলায়েত লাভ করেন। ২০০৮ সালের ১০ অক্টোবর বিশ্বের অগণিত মানুষ সূফী সম্রাটের চেহারা মোবারক পূর্ণিমার চাঁদে দেখতে পেয়েছেন। আজও প্রতিমাসে পূর্ণিমার চাঁদে সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজানকে দেখতে পাওয়া যায়।

হযরত রাসূল (সা.)-এর সুযোগ্য উত্তরসুরী, হাদিগণের ইমাম মহান সংস্কারক সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেবলাজানকে আল্লাহ্ তায়ালা দয়া করে চাঁদে দেখিয়ে প্রমাণ করেছেন যে, মোহাম্মদী ইসলামই হচ্ছে মুক্তির পথ। তাই আসুন, আমরা এই মহামানবের সান্নিধ্যে এসে উক্ত বরকতপূর্ণ অনুষ্ঠানটি পালন করে আল্লাহর রহমত হাসিল করি।

9 COMMENTS

  1. আল্লাহর বন্ধু দেওয়ানবাগী হুজুর কে পূর্নিমার চাঁদে আমিও দেখেছি,তিনি আল্লাহর বন্ধু এতে কোন সন্দেহ নাই

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here