পূর্ণিমার চাঁদে মোর্শেদকে দেখা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার। -ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা

0
1278

বিশেষ সংবাদদাতা: আজকে ‘পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি উপলক্ষ্যে আমাদের এই আয়োজন। আমার এখান থেকে চাঁদ অনেক বড় দেখা যায় মানে বাংলাদেশের থেকে কম করে হলেও দ্বিগুণ বড়, স্পষ্ট ও সুন্দর দেখা যায়। আসলে শুকরিয়া জানায় মহান রাব্বুল আলামিনের নুরানিময় কদম মোবারকে, যিনি দয়া করে আমাদের মোর্শেদ আল্লাহর বন্ধু শাহ্ দেওয়ানবাগী (রহ.)-কে সারাজগতের কাছে এমনভাবে ফুটিয়ে তুলছেন যাতে দুনিয়াতে কেউ অস্বীকার করতে না পারে। পূর্ণিমার চাঁদে মোর্শেদ কেবলাজানকে দেখতে পারা যেমন সৌভাগ্যের বিষয়, আবার দেখে মোর্শেদের উপর ইমান রাখাও অত্যন্ত জরুরি।


গত ১২ আগস্ট, শুক্রবার ‘আল্লাহর দেওয়া পুরস্কার: পূর্নিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি’ উপলক্ষ্যে সাপ্তাহিক আশেকে রাসুল (সা.) মাহফিলে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্বপ্রদানকারী মহামানব ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।


ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর বলেন, আমার আজও মনে আছে সেই দিনের কথা, আমি সম্ভবত বাইরে ছিলাম। বাবাজান খবর পাঠিয়েছিলেন কদরকে বলো, তাড়াতাড়ি চাঁদের ছবি তোলার জন্যে। বাবাজান অবশ্য জানতেন আমি ছবি তুলি লম্বাসময়। আগে শখের বশে অনেক ছবি তুলতাম। বাবাজান খবর দেন, তখন সেই সুবাদেই আমরা ঐ বাবে রহমতের ছাদে এসে প্রথম পূর্ণিমার চাঁদে বাবাজানকে দেখি। বাবাজান বললেন যে, চাঁদের ছবি তুলে রাখার জন্যে, তখন আমি চাঁদের কিছু ছবি তুলি। পরে দেখা গেল একে একে অনেক আশেকে রাসুল দেখা শুরু করলেন; তারপরে দেখা গেল বিভিন্ন শহর থেকে আশেকে রাসুলেরা দেখা শুরু করলেন; তারপরে দেখা গেল বিভিন্ন দেশ থেকে আশেকে রাসুলেরা দেখলেন। এটি একটি মিরাকেল, স্বাভাবিক ব্যাপার নয়। বিশ্বাস করুন আর না করুন এটি অনেক বেশি ক্রিটিক্যাল একটি বিষয়। মানুষ যখন প্রথমে শুনেছে বিশ্বাসই করছে না। পরবর্তীতে দেখা গেল একজন জাস্টিস, ওনার বাসায় আমার একদিন চায়ের দাওয়াত ছিল। আমি ওনার বাসায় যাই। উনিই দাওয়াত করেন। যাওয়ার পরে উনি চা খেতে খেতে আমাকে বললেন যে, আমি বাবাজানকে পূর্ণিমার চাঁদে দেখেছি। আমি বললাম,তাই নাকি? বললো, জ্বী আমি দেখেছি এবং আমি আমার মেয়েকেও দেখিয়েছি। সুধী সমাজ, সাধারণ মানুষ, দেশের মানুষ, বিদেশের মানুষ দেখা শুরু করলেন। তখন দেখা গেল মানুষের মধ্যে অনেক বড় জাগরণ আসলো। সেই সময় আল্লাহর বন্ধু শাহ্ দেওয়ানবাগী (রহ.)-কে প্রায় ৬ মাসব্যাপি সংবর্ধনার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। কারণ বিভিন্ন থানা, বিভিন্ন জেলার মানুষ এসে মোর্শেদ কেবলাজানকে যে চাঁদে দেখা গেল সেইজন্য তারা এই ধরনের সংবর্ধনা দেওয়া শুরু করে। তখন বিদেশ থেকে আশেকে রাসুলেরা সবাইকে নিয়ে আমরা মোর্শেদ কেবলাজানকে একটি ক্রেস্ট প্রদান করি। আমার মনে আছে, ক্রেস্টটি আমরা বসে বসে নিজের হাতে বানিয়েছিলাম। এখনও মোর্শেদ কেবলাজানের কুরসি মোবারকের ডানপাশে সেই ক্রেস্টটি আছে। প্রায় ৪০টি দেশের আশেকে রাসুলগণ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনেকগুলো দেশ থেকে যারা মোর্শেদ কেবলাজানকে দেখলেন তাদের সাথে ওভার টেলিফোনে আমরা কনফার্ম করলাম যে, তারা মোর্শেদ কেবলাজানকে ঐ সকল দেশ থেকে দেখেছেন। সারাবিশ্বের প্রায় অর্ধশতাধিক দেশের আশেকে রাসুলেরা মোর্শেদ কেবলাজানকে দেখলেন এবং সংবর্ধনা জ্ঞাপন করলেন যে, আমরা দেখেছি। এর পরবর্তীতে আমরা কাউন্ট করা শুরু করলাম লেখা শুরু করলাম যে, যারা যারা মোর্শেদ কেবলাজানকে দেখেছেন এরকম কত মানুষ আমরা খুঁজে পাই। মোর্শেদের পরবর্তীতে ওফাত হয়ে গেল কার্যক্রমটি আমরা কমপ্লিট করতে পারিনি কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই দেখা গেল যে, এতো বেশি লোক মোর্শেদ কেবলাজানকে দেখেছেন আমি অল্প সময়ে অর্ধলক্ষ লোকের ঘটনা পেয়ে গেলাম মানে প্রায় ৫০ হাজার লোকের লেখা সিগন্যাচারসহ স্টেটমেন্ট পেয়ে গেলাম। তারা মোর্শেদ কেবলাজানকে দেখেছেন যে, এতোগুলো মানুষ দেখলেন, যদি ধরি মোরদ্যান ৫০ হাজারের বেশি মানুষ মোর্শেদ কেবলাজানকে দেখেছেন, কেন দেখেছেন?


ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর বলেন, এখানে একটু বলতে হবে বিজ্ঞানীদের মতে চাঁদের উপরে চাঁদে যে অবয়ব দেখা যায় এটা হলো চাঁদের ভূপৃষ্ঠ অর্থাৎ চাঁদের মাটি, পানি, সম্পদ। এতে মানুষের অবয়ব দেখার সুযোগ নেই, এটা সাইন্সের কথায় বলে। কিন্তু আমিতো দেখি। এখন আমি কি এখন বিজ্ঞানের গল্প নিয়ে বসবো, না-কি আমার চোখ দেখবো? তাহলে কোনটা সত্য? আমি বলবো উভয় সত্য। যা দেখা যায় তা ভূপৃষ্ঠ আর আমি যা দেখি তা আল্লাহর কুদরতি চোখ, তা আল্লাহর কুদরতি দৃশ্য। ঐ ভূপৃষ্ঠের দৃশ্যগুলো সব একত্রিত হয়ে শাহ দেওয়ানবাগীকে দেখা। এটা কি তার কুদরত নয় বলুন? যখন ৫০ হাজার মানুষ দেখে এবং সেটা লিখে তারা সাইন করে দিলেন যে, আমরা দেখেছি এরপর তো আর কিছু বলার সুযোগ থাকছে না। তাই এভাবেই আজও পর্যন্ত মোর্শেদ কেবলাজানকে পূর্ণিমার চাঁদে আশেকে রাসুলেরা দেখছেন এবং সেই দিন আমরা শুকরিয়াতান দুই রাকাত শুকরানা নামাজ আদায় করছি।


তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা এরকম দয়াল মোর্শেদ আমাদের কপালে নসিব করেছেন, এইজন্যে আমরা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করি এবং আমরা যতদিন বাঁচবো আমরা এই শুকরিয়া ধরে রাখবো। আমরা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করি, তিনি যেন আমাদের দয়া করেন। আমরা যে মোর্শেদ কেবলাজানের নুরানিময় চেহারা মোবারক দেখেছি আমরা যাতে এটি ধরে রাখতে পারি, মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের যাতে সেই তৌফিক দান করেন। এবার আসি, কেন এই চাঁদে দেখা যায়? একটি সরল অঙ্ক দিয়ে বোঝাতে চাই। এটি বোঝানোর আগে আমি হযরত রাসুল (সা.)-এর জামানার একটু আলোকপাত করতে চাই। আল্লাহ তায়ালা রাসুলে পাক (সা.)-কে সৌদি আরবে পাঠান, যার ভাষা ছিল আরবি। হযরত রাসুল (সা.)-কে মহান রাব্বুল আলামিন হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর বংশে প্রেরণ করেন। হযরত রাসুল (সা.) যখন ঐ আরব দেশে আসেন তখন আরবজাতি এইরকম মুসলিম জাতি ছিল না। তারা তখন ছিল মূর্তিপূজারী; তারা আল্লাহর একত্ববাদ অর্থাৎ এক আল্লাহর প্রতি তাদের কোনও ইবাদত ছিল না বা এক আল্লাহ কেন্দ্রীক কোনো ইবাদত ছিল না। বহু দেব-দেবীর পূজা করে বহুমাত্রিক ভগবান বা দেবতা বা আল্লাহর পূজা তারা করতেন। আল্লাহ্ তায়ালা ঐ পথভ্রষ্ট আরবজাতিকে পুনরায় পথে আনার জন্যে নবি হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা আহমদ মোজতবা (সা.)-কে প্রেরণ করেন। অতঃপর তাকে প্রেরণ করার পরে তিনি কি করলেন? তিনি এসে আল্লাহর একত্ববাদের কথা বললেন। তিনি তাদেরকে বুঝালেন যে, আল্লাহ তোমাদের মূর্তির মাঝে থাকে না; আল্লাহ তোমাদের গাছের মাঝে থাকে না; আল্লাহ তোমাদের চন্দ্র-সূর্যের মাঝে থাকে না। আল্লাহ্ একজন। তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো। এটা বর্বর আরবজাতি মেনে নিতে পারে নি। উনার বিরুদ্ধে ২৭টি যুদ্ধ করেছেন। তাঁকে অত্যাচার করা হয়েছে, নিপীড়ন চালিয়েছে। তারপরেও তিনি পিছপা হন নি। তিনি সকলকে পরাজিত করে নিজের অবস্থান তৈরি করে এক আল্লাহর একত্ববাদের এই আদর্শকে ইসলামি রাষ্ট্র হিসেবে কায়েম করেছেন। এই যে হযরত রাসুল (সা.) আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা করলেন এবং একত্ববাদের কনসেপ্ট রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করলেন সেজন্যে আল্লাহ্ তায়ালা হযরত রাসুল (সা.)-কে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দান করেছেন যে, তুমি আমার জন্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কাজ করেছো। হযরত রাসুল (সা.)-এর ওফাতের প্রায় ১৪শ বছর পরে যেখানে আরবজাতি নয় বাংলাদেশে বাংলা মায়ের সন্তান, একজন বাংলা মায়ের কোলে জন্মগ্রহণ করলেন যার নাম মাহবুব-এ-খোদা। যিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলাধীন বাহাদুরপুর গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। যার জন্মের সময় তাঁর মা স্বপ্নে দেখেন ঈদের চাঁদ তার কোলে নেমে আসে। এই চাঁদের খেলা কিন্তু কোল থেকে শুরু। তখন এটি চিকন চাঁদ ছিল, পূর্ণতা পায় নি। এই পূর্ণতা আসতে আসতে তার সময় লেগেছে। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে এসে চাঁদের পূর্ণতা পেয়েছে। এই বাংলা মায়ের কোলে একজন অলী-আল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন যেই অলী-আল্লাহর এই ঘ্রাণ, যেই অলী-আল্লাহর এই মধু সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরলো। সূফী সম্রাট হযরত শাহ্ দেওয়ানবাগী (রহ.) তার দীর্ঘ ৩৩ বছরের সাধনার ফসল ৮ খন্ড তাফসির শরীফ- ‘তাফসীরে সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী’ রচনা করা। তিনি ১১ হাজারের বেশি পৃষ্ঠা রচনা করেন। তিনি আমাদের মাঝে উপহার দিলেন যাতে আমরা আল্লাহকে নিরাকার বলার আর সুযোগ না পাই। যারা যারা আল্লাহকে নিরাকার বলছেন বা বলেন তাদের ‘তাফসীরে সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী’র ৮ খন্ড হাতে তুলে দিলে আমার বিশ্বাস ১০ মিনিট ওনারা ৮ খন্ড তাফসির এক সাথে ধরে রাখতে পারবে না, এতো ওজন এটির।


ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর বলেন, পূর্ণিমার চাঁদে আল্লাহ্ বিশ্বের আশেকে রাসুলদের কাছে প্রমাণ করলেন যে, বর্তমান জামানায় তোমার মোর্শেদ শ্রেষ্ঠত্বে আছে। সেই শ্রেষ্ঠ মোর্শেদের কদম মোবারক নসিব হয়েছে, সেইজন্য তোমরা গর্ব করো এবং মোর্শেদের শিক্ষায় ও মোর্শেদের ইচ্ছায় নিজেদের পরিচালিত করো। এই হচ্ছে পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবির পটভূমি। এখন একে অনেকভাবে ব্যাখা করা যেতে পারে। কিন্তু আসলে আমরা যতভাবেই ব্যাখ্যা করি না কেন, আল্লাহর সরাসরি সন্তুষ্টির জন্য শাহ দেওয়ানবাগী যেই গতিতে, যেই পদ্ধতিতে, যেইভাবে কাজ করেছেন আসলে আমার জানা মতে কোনো নবি-রাসুল, কোনো অলী-আল্লাহ্ এমনকি কেউ এতো শক্তিশালী ভূমিকা নিয়ে কাজ করেন নি। শাহ দেওয়ানবাগীর মোর্শেদ ছিলেন ইমাম শাহ্ চন্দ্রপুরী (রহ)। তিনি বলেছেন, আল্লাহ্ আকার এটাও ঠিক; আল্লাহ নিরাকার এটাও ঠিক। উনি মূলে বলতে চেয়েছেন, যিনি দেখে তার কাছে আকার; যিনি দেখে না তার কাছে নিরাকার। আল্লাহ্ আমাদের মোর্শেদ তোমার বন্ধু শাহ্ দেওয়ানবাগী (রহ.)-কে তুমি পূর্ণিমার চাঁদে দেখিয়ে যে সম্মান দিয়েছো; আমরা তোমার কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করি।


ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর বলেন, এই মোহাম্মদী ইসলামকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের কাজ হচ্ছে চরিত্রবান হওয়া। আমরা যাই করি চেষ্টা করবো নিজেদের চরিত্রবান বানাতে; নিজেদের আল্লাহ্ ও রাসুলের পথে ধাবিত করতে; নিজেদের মাঝে আল্লাহ্ ও রাসুলকে খুঁজে পেতে। আমি আপনাদের সকলের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাই, চলুন না আমরা আল্লাহকে পাওয়ার চেষ্টা করি; চলুন না আমরা রাসুলকে পাওয়ার চেষ্টা করি; চলুন না আমরা ইবাদত করি; আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করি, তার আনুগত্য করি তাহলে আমরা মূলত আল্লাহকে পাবো।


ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর বলেন, আমরা সবাই শাহ্ দেওয়ানবাগীকে ভালোবাসি, সেটা শুধু মুখে না বলি, নিজের ভিতরে বসাতে চেষ্টা করি। মুখ দিয়ে বলেন বসাই আসলে বসাতে পারেন না, কারণ ভিতরে এতো ময়লা, এই ময়লায় আসবে কি মোর্শেদ? কারণ অনেক পাপ; অনেক পঙ্কিলতা; অনেক অহংকার; অনেক আমিত্ব এগুলো আপনাকে এমনভাবে ধরেছে সারাদিন মোর্শেদকে ডাকলেও দেখা যায় না। এই যে আমি বলি, আমার কথাগুলো সব মিল আছে। আমি বলেছি, আপনি চোখ বন্ধ করলে অন্ধকার দেখছেন। অন্ধকার কেন দেখছেন জানেন? ঐ ময়লাগুলো এমন স্তুপ হয়েছে যে, এখন আলো ঢুকতে পারছে না এইজন্যই অন্ধকার দেখছেন। তরিকার আমল করুন, আমি দোয়া করি আমার মালিক আপনাদের সবাইকে হেফাজত করুক। আমি আশেকে রাসুল ভাই ও বোনদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, যারা এই গোলামকে সহযোগিতা করার জন্য কাজ করছেন; যারা মোহাম্মদী ইসলামকে সমুন্নত রাখার জন্য কাজ করছেন। আমি আমার আল্লাহর কাছে আপনাদের জন্য সাহায্য চাই, তিনি যেন দয়া করে আপনাদের সবাইকে কবুল করে নেন।


পরিশেষে মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্বপ্রদানকারী মহামানব, ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর তাঁর বাণী মোবারক প্রদান শেষে আখেরি মোনাজাত প্রদান করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here