ফেসবুকে করোনা ম্যাপ!

0
207
করোনা ম্যাপের ডিজিটাল ভিউ ।

প্রযুক্তি ডেস্ক: করোনা ভাইরাস মহামারি ঠেকাতে মানুষ সামাজিক দূরত্ব মানছে কিনা তা দেখতে ফেসবুক নতুন একটি টুল বা প্রোগ্রাম উন্মুক্ত করেছে। ব্যবহারকারীর অবস্থানগত তথ্য বিশ্লেষণ করবে এই টুল। ‘ডেটা ফর গুড’ কর্মসূচির আওতায় ‘ডিজিজ প্রিভেনশন ম্যাপস’ তৈরী করা হয়েছে বলে জানায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এই ম্যাপের সাহায্যে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ কিভাবে চলাফেরা করছে তা দেখা যাবে।

জনস্বার্থে কাজ করা কর্মকর্তাসহ নীতিনির্ধারকরা এই ম্যাপ কাজে লাগাতে পারবেন। কোনো এলাকায় করোনা বেশি ছড়াচ্ছে তা জানা যাবে ।

ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী তাদের ডিজিজ প্রিভেনশন ম্যাপসে থাকবে কো-লোকেশন ডেটা নামের ফিচার, যার সাহায্যে এক এলাকার মানুষ অন্য কোথাও সংস্পর্শে আসছে কি না, তার পূর্বাভাস দেখা যাবে। এছাড়া মানুষ ঠিক কোন কোন জায়গায় ঘুরতে পছন্দ করে এবং বিভিন্ন এলাকায় মানুষের সামাজিক সংযুক্ত থাকার সূচক প্রভৃতি ফিচার থাকবে। তবে এই ম্যাপের সাহায্যে একক ব্যক্তির চলাচলের ধরন দেখানো হবে না।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘‘আমরা মনে করি ফেসবুক-সহ অন্যান্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো মহামারির সময় আরও উদ্ভাবনী পদ্ধতি খুঁজে বের করতে পারে। তবে এ সময় যাতে প্রাইভেসি লংঘন না হয়, তারও খেয়াল রাখতে হবে।’’

ফেসবুকে ব্যক্তির অবস্থানগত তথ্য জানতে না দেওয়ার সুযোগও রয়েছে। এ তথ্য শেয়ার করা হবে কি না, তা ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তবে, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা অন্যান্য ফিচার ব্যবহার করে ব্যক্তির চলাফেরার বিষয়টি ধরতে পারে।

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, তাদের এ উদ্যোগ ভালোভাবে এগোলে এটি আরও বিস্তৃত আকারে আসতে পারে। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে এটি শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি চালু হবে।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলছেন, ব্যক্তিগত পর্যায়ে মানুষ কেন নিয়মকানুন মানছে না, সে তথ্য দেওয়ার পরিবর্তে ওই এলাকায় প্রবণতাগুলো তুলে ধরবে তাদের টুল।

বোস্টন চিলড্রেনস হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ জন ব্রাউনস্টেইন বলেছেন, ‘‘এ ধরনের কোম্পানিগুলোর কাছে মানুষের বিস্তারিত তথ্য আছে। তারা তথ্য ব্যবহার করে সামাজিক সংযোগ বা তাদের নেটওয়ার্কের মধ্যে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জানাতে পারে। আশা করছি, তারা বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহীতাদের জন্য এ তথ্য তারা জানাবে।’’

ফেসবুকের পাশাপাশি গুগল এবং মাইক্রোসফটও চ্যাট বাটনসহ এ ধরনের টুলস তৈরিতে কাজ করছে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here