মহাকাশ সম্পর্কে অবাক করা তথ্য

0
220

প্রযুক্তি ডেস্ক: মহাকাশ নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। মহাকাশ নিয়ে হয়তো আমরা অনেকেই অনেক কিছু জানি। কিন্তু এ কথা সত্যি বেশিরভাগই জানি না। মহাকাশ সম্পর্কে আরও অনেক কিছু জানার আছে যা এখনও আমাদের কাছে অজানা। বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন মহাকাশে নতুন কিছু খুঁজে পেতে। তাদের খুঁজে পাওয়া কিছু তথ্য জেনে নিন এবার-

১। মৃত নক্ষত্রের আলো বিলিয়ন বছর পরেও আমরা দেখি!
রাতের পরিষ্কার আকাশে আমরা যে অসংখ্য নক্ষত্র দেখি, তাদের অনেকেই হয়তো মৃত। আলো বিকিরণ করতে করতে, ধীরে ধীরে তারা নিঃশেষ হয়ে গেছে। কিন্তু মৃত হলেও, রাতের আকাশে আমরা তাদের জ্বলজ্বল করতে দেখি, কারণ এসব নক্ষত্রের বেশিরভাগই আমাদের থেকে শতকোটি আলোকবর্ষ দূরে। সেখান থেকে আলো এসে পৌঁছাতে তো সময় লাগবে, তাই না? হ্যাঁ, বিলিয়ন বিলিয়ন বছর পূর্বে তাদের নিঃসৃত আলো আমরা এখন রাতের আকাশে দেখছি, এই এতদিন পরে!

২। মহাকাশে রাশিয়ার আরশোলা প্রজনন
একবার একদল রাশিয়ান বিজ্ঞানী মহাকাশে আরশোলার প্রজনন ঘটান। তার ফলে যে ৩৩টি আরশোলা জন্ম নেয় তারা নাকি পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া আরশোলাদের থেকে বেশি শক্তিশালী, দ্রুত এবং সক্ষম ছিল।

৩। মহাকাশ্চারীদের উচ্চতা বেড়ে যায়!
মহাকাশ সফরের পরে অধিকাংশ মহাকাশচারীদের উচ্চতা দু’ইঞ্চি করে বেড়ে যায়।

৪। মহাকাশে সূর্যকে সাদা দেখায়!

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র থেকে তোলা সাদা সুর্যের ছবি ।

মহাকাশ থেকে সূর্যকে হলুদ নয়, সাদা দেখায়। আসলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সূর্যের ফোটন কণা বিচ্ছুরিত হয়ে যায়, ফলে সূর্যের দীর্ঘতর দৈর্ঘ্য সম্পন্ন হলুদ, কমলা আর লাল আলোক রশ্মিগুলিই কেবল আমাদের চোখে ধরা পড়ে। মহাকাশে বায়ুমণ্ডল নেই, কাজেই এই কাণ্ডটি ঘটবারও সুযোগ নেই।

৫। মহাকাশ ষ্টেশনের গতি
মহাকাশ স্টেশনটি প্রতি ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৫০০ মাইল বেগে ঘুরছে। এর আয়তন একটি ফুটবল মাঠের সমান।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্ত্র ।

৬। প্রতিদিন ১৫ বার সূর্যোদয়!
মহাকাশচারীরা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে অবস্থানকালে প্রতিদিন ১৫ বার সূর্যোদয় এবং ১৫ বার সূর্যাস্ত দেখেন।

৭। মহাকাশের ঘ্রাণ কেমন ?
ওয়েল্ডিঙের কাজের সময় এর আশেপাশে থাকলে যে ঘ্রাণ পাওয়া যায়, মহাশূন্য বা স্পেসের গন্ধটা ঠিক অমন।

৮। মহাকাশে উত্তপ্ত বরফ!
পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৩ আলোকবর্ষ দূরে একটা গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা যার পুরো পৃষ্ঠটাই নাকি Burning Ice এ আবৃত! খটকা লাগছে? আসল ঘটনাটা হচ্ছে, এই গ্রহের পৃষ্ঠে প্রচণ্ড চাপের কারণে পানি কঠিন অবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে, আর গ্রহ পৃষ্ঠে তাপমাত্রা অনেক বেশি বলে এই জমাট বরফ থেকে বাষ্প নির্গত হয়। তাই বিজ্ঞানীরা একে বলছেন Burning Ice।

৯। মহাকাশে পানি ফোটালে যা হবে
সচরাচর পানি ফুটানোর সময় আমরা কী দেখি? বুদবুদ আকারে অনেকগুলো পানির ফোঁটা পাত্রের উপরের দিকে উঠে এসেছে। কিন্তু কেউ যদি মহাকাশে যেয়ে কোনোভাবে পানি ফোটানোর চেষ্টা করে, তাহলে কিন্তু এ ঘটনা ঘটবে না। অনেকগুলোর পরিবর্তে একটামাত্র দানবাকৃতির বুদবুদ উঠে আসবে।

১০। মহাকাশে শব্দ নেই!
মহাকাশ সম্পূর্ন নিঃশব্দ । মহাকাশে কোন বায়ুমমণ্ডল না থাকার কারনে শব্দ গমনের কোনো মাধ্যমও নেই ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here