মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা

0
135


মহান রাব্বুল আলামিন পরম দয়ালু। সেই দয়াময় আল্লাহর নির্দেশিত পথে চললে তাঁর দয়া পাওয়া যায়। নবুয়তের যুগে মহান আল্লাহর দয়া পাওয়ার পথপ্রদর্শক ছিলেন নবি-রাসুলগণ। আর বর্তমান বেলায়েতের যুগে পথপ্রদর্শক হলেন তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সন্ধান পেয়েছেন এবং অন্যকে তাঁদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে সক্ষম। বেলায়েতের যুগে তাঁদেরকে বলা হয় অলী-আল্লাহ। অলী-আল্লাহগণের অসিলায় যে আল্লাহর দয়া পাওয়া যায় তার

বাস্তব প্রমাণ নিম্নের এই ঘটনাটি উপস্থাপন করা হলো:
আশেকে রাসুল মনির, পিতা: আব্দুল হাকিম মুন্সী, উপজেলা: মিঠামইন, জেলা: কিশোরগঞ্জ। তিনি নদী পথে কিশোরগঞ্জের ঘাগরা থেকে মিঠামইন হাওড় পার হচ্ছিলেন। হাওড়টা অনেক বড়ো ছিল। নৌকার যাত্রীদের মধ্যে তারা দুজন মহান সংস্কারক মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী যুগের ইমাম সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) হুজুর কেবলাজানের মুরিদ সন্তান। তাদের নৌকাটি হাওড়ের মাঝ পথে এসে হঠাৎ পাক খেতে খেতে ডুবে যায়। ঐ জায়গাটা সম্পর্কে মানুষের অনেক খারাপ ধারণা আছে। ইতিপূর্বে ঐ স্থানে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। নৌকা ডুবার পরে তারা পানিতে সাঁতার কেটে ভাসার চেষ্টা করে কিন্তু এত বড়ো হাওড়ে সাঁতরে পাড়ে যাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। আর তখন আশপাশে কোথাও কোনো নৌকা তারা দেখতে পাচ্ছিল না।
এই চরম বিপদের সময় যখন আর কোনো সাহায্য পাচ্ছিল না, তখন হঠাৎ করেই তাদের মহান মোর্শেদ সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজানের কথা মনে পড়ল। ঐ অবস্থায় তখন তারা মহান মোর্শেদ কেবলাজানকে স্মরণ করে তাঁর দয়া ভিক্ষা চেয়ে বলছিল- “ওগো দয়াল দরদী বাবাজান! দয়া করে আমাদেরকে এই কঠিন বিপদ থেকে উদ্ধার করুন।” কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা দেখতে পেল মহান মোর্শেদ সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজান তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তারা সাথে সাথে দু’জনে দয়াল বাবাজানের কদম মোবারক জড়িয়ে ধরল ও সাঁতরাতে শুরু করল।


মুহূর্তের মধ্যেই তারা পাড়ে পৌঁছে গেল। তারা পাড়ে পৌঁছানোর পর দয়াল বাবাজান অদৃশ্য হয়ে গেল। তারা দুজনেই তখন চারদিকে দয়াল বাবাজানকে খুঁজছিল কিন্তু কোথাও দেখতে পেল না। এত দূর পথ কিভাবে দ্রুত পৌঁছালো এবং ঐ পানির মধ্যে কিভাবে দয়াল বাবাজানকে পেল তা চিন্তা করে তাদের বিস্ময়ের সীমা রইলো না। তারা তখন অঝোর নয়নে কাঁদতে ছিল আর তাদের মহান দরদী মোর্শেদ কেবলাজানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছিল। সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী দয়াল বাবাজানের মুরিদ সন্তান হওয়ার কারণেই সেদিন তারা মহান আল্লাহর দয়া পেয়েছিল এবং তাঁর অসিলায় দয়াময় রাব্বুল আলামিন তাদেরকে সেই চরম বিপদ থেকে উদ্ধার করে সেদিন প্রাণে বাঁচিয়ে ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here