রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনলাইনে শিশুদের পাঠগ্রহণের ব্যবস্থা

0
233

দেওয়ানবাগ প্রতিবেদক : কোভিড-১৯ কক্সবাজার জেলায় বসবাসরত ৪ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শিশুদের জীবনকে বাধাগ্রস্ত করে চলেছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো মার্চ থেকে শিবিরগুলোর শিক্ষাকেন্দ্রগুলো বন্ধ রয়েছে। প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গা শিশু ও কিশোর-কিশোরী তাদের শিক্ষাকেন্দ্রের বাইরে রয়েছে। বাবা-মা ও সেবাদানকারীদের সম্পৃক্ত করে এবং ওয়ার্কবুক ও ভিজ্যুয়াল এইড প্রদানের মাধ্যমে বাড়িতে শিশুদের পড়াশোনায় সহায়তা করতে ইউনিসেফ ও তার সহযোগীরা প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষকরা একইসঙ্গে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য এবং হাইজিনবিষয়ক বার্তা দেওয়ার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

ইউনিসেফ দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক জিন গফ গণমাধ্যমে বলেছেন, বাংলাদেশে নির্বাসিত অবস্থায় থাকা রোহিঙ্গা পরিবার এবং শিশু এ সময় অসাধারণ দৃঢ়তা দেখিয়েছে। কঠিন পরিস্থিতিতে তারা বসবাস করছে। মৌসুমি বৃষ্টি ও বৈশ্বিক মহামারির কারণে তাদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে উঠেছে। এ কঠিন পরিস্থিতি সত্ত্বেও শক্তি, সাহস ও অধ্যবসায় কী- তা পরিবারগুলো প্রতিদিনই আমাদের শিখিয়ে চলেছে। রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশের সুযোগ প্রয়োজন। এটি দীর্ঘমেয়াদে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে তাদের সক্ষম করে তুলবে। এ বিষয়ক ইউনিসেফের এক জরিপে জানা যায়, রোহিঙ্গা শরণার্থী ৭৭ শতাংশ শিশু বাড়িতে সেবাদানকারীদের তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ছিল। তবে তাদের অনেকের বাবা-মা পড়তে ও লিখতে পারেন না। এর ফলে তারা অনেক বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here