সত্যেন্দ্রনাথ বোস: বিজ্ঞানের মহাকাশে এক বাঙালি নক্ষত্র

0
268
সত্যেন্দ্রনাথ বোস

দেওয়ানবাগ ডেস্ক: “যাঁরা বলেন বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা হয় না, তারা হয় বাংলা জানেন না, নয় বিজ্ঞান বোঝেন না।” সত্যেন্দ্রনাথ বোস বা সত্যেন বোস বাংলাকে এমন করেই ভালোবাসা এক নক্ষত্র, এক অসাধারণ জাত প্রতিভা। তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি পদার্থ বিজ্ঞানী। তার গবেষণার ক্ষেত্র ছিল গাণিতিক পদার্থ বিজ্ঞান। সত্যেন্দ্রনাথ বসু আলবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গে যৌথভাবে বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান প্রদান করেন, যা পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বলে বিবেচিত হয়। ছাত্রজীবনে অত্যন্ত মেধাবী সত্যেন্দ্রনাথ কর্মজীবনে সংযুক্ত ছিলেন বৃহত্তর বাংলার তিন শ্রেষ্ঠ শিক্ষায়তন কলকাতা, ঢাকা ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। সান্নিধ্য পেয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, মারি ক্যুরি প্রমুখ মনীষীর। আবার অনুশীলন সমিতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ও স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবীদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগও রাখতেন দেশব্রতী সত্যেন্দ্রনাথ। কলকাতায় জাত সত্যেন্দ্রনাথ শুধুমাত্র বাংলায় বিজ্ঞান চর্চার প্রবল সমর্থকই ছিলেন না, সারাজীবন ধরে তিনি বাংলায় বিজ্ঞান চর্চার ধারাটিকেও পুষ্ট করে গেছেন।

শুভ জন্ম ও পরিবার
১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে ১ জানুয়ারি উত্তর কলকাতার গোয়া বাগান অঞ্চলে স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুলের পাশে ২২ নম্বর ঈশ্বর মিত্র লেনে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর জন্ম। তার পরিবারের আদি নিবাস ২৪ পরগণার কাড়োপাড়ার সন্নিকটে বড়োযাগুলিয়া গ্রামে। তার পিতা সুরেন্দ্রনাথ বসু ছিলেন পূর্ব ভারতীয় রেলওয়ের হিসাবরক্ষক এবং মাতা আমোদিনী দেবী ছিলেন আলিপুরের খ্যাতনামা ব্যবহারজীবী মতিলাল রায় চৌধুরীর কন্যা। সত্যেন্দ্রনাথ বসু সাত ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়।

শিক্ষা জীবন
সত্যেন্দ্রনাথ বসুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় সাধারণ স্কুলে। পরে বাড়ীর সন্নিকটে নিউ ইন্ডিয়ান স্কুলে ভর্তি হন। এরপর তিনি হিন্দু স্কুলে এন্ট্রান্স ক্লাশে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় পঞ্চম স্থান অধিকার করেন। তারপর ভর্তি হন প্রেসিডেন্সী কলেজে। ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে আই.এস.সি পাশ করেন প্রথম হয়ে। এই কলেজে তিনি সান্নিধ্যে আসেন আচার্য জগদীশ চন্দ্রবসু এবং আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের মতো খ্যাতিমান অধ্যাপকদের। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতক এবং ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে একই ফলাফলে মিশ্র গণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

কর্ম জীবন
এই সময়কালে স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কলকাতা বিজ্ঞান কলেজ প্রতিষ্ঠা করলে ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সেখানে প্রভাষক হিসাবে যোগ দেন। সেখানে তিনি বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার সঙ্গে মিশ্র গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন। একটি প্রদীপ থেকে অন্য প্রদীপ জ্বলে ওঠে। আলো পায়। দীপ্তি ছড়ায়। বোসের দীপ্তি ছড়িয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথা এই বাংলায়ও। ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি সেখানে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে রিডার হিসাবে যোগ দেন। তিনি ছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ।

১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালীন সময়ে বসু প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তেজস্ক্রিয়তা নীতি ক্লাসিক্যাল পদার্থ বিজ্ঞানের সাহায্য ছাড়াই প্রতিপাদন করে একটি গবেষণা প্রবন্ধ রচনা করেন এবং সদৃশ কণার সাহায্যে দশার সংখ্যা গণনার একটি চমৎকার উপায় উদ্ভাবন করেন। এই নিবন্ধটি ছিল মৌলিক এবং কোয়ান্টাম পরিসংখ্যানের ভিত্তি রচনাকারী। প্রবন্ধটি প্রকাশ করবার প্রাথমিক প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে বসু তা সরাসরি আলবার্ট আইনস্টাইনের নিকট প্রেরণ করেন, যিনি প্রবন্ধটির গুরুত্ব অনুধাবন করে নিজেই তা জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেন এবং বসুর পক্ষে তা Zeitschrift für Physik সামযয়িকীতে প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ স্বীকৃতির পরিপ্রেক্ষিতে বসু ভারতের বাইরে গবেষণার সুযোগ লাভ করেন এবং দু’ বছর ইউরোপে অবস্থান করে লুইডি ব্রগলি, মারিক্যুরি, এবং আইনস্টাইনের সাথে কাজ করার সুযোগ লাভ করেন।

১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে ইউরোপ সফর শেষে তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব লাভ করেন। বসু ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করেন এবং দেশ বিভাগ আসন্ন হলে তিনি কলকাতায় ফিরে যান এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপক হিসাবে যোগ দেন। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে সেখান থেকে অবসর গ্রহণের পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসাবে নিয়োগ করে। ভারত সরকারের আমন্ত্রণে তিনি বিশ্ব ভারতীতে উপাচার্য হিসাবে যোগ দেন এবং ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে ভারত সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসাবে নিযুক্ত করেন।

বোস- আইনস্টাইন সংখ্যা তত্ত্ব ও বোসন কণা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বসু তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞান ও এক্সরে ক্রিস্টালোগ্রাফির ওপর কাজ শুরু করেন। এছাড়া তিনি শ্রেণী কক্ষে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা পড়াতেন। ক্লাসে একদিন আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ও অতিবেগুনি বিপর্যয় পড়ানোর সময় তিনি শিক্ষার্থীদের বর্তমান তত্ত্বের দুর্বলতা বোঝাতে এই তত্ত্বের সঙ্গে পরীক্ষালব্ধ ফলাফলের ব্যতয় তুলে ধরেন। সেসময় তিনি ঐ তত্ত্ব প্রয়োগ করতে গিয়ে একটি ভুল করেন। পরে দেখা যায় তার ঐ ভুলের ফলে পরীক্ষার সঙ্গে তত্ত্বের অনুমান মিলে যাচ্ছে! (বসু পরে তার ঐ দিনের লেকচারটি একটি ছোটো নিবন্ধ আকারে Planck’s Law and the Hypothesis of Light Quanta নামে প্রকাশ করেন।)

তার এই ভুলটিকে পরিসংখ্যানের একটি উদাহরণ দিয়ে বলা যেতে পারে। দুইটি ভালো মুদ্রাকে যদি নির্বিচারে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে এক-তৃতীয়াংশ বার দুই হেড পড়বে- এমন অনুমান স্বভাবতই ভুল। ঠিক এমন একটি ভুল তিনি করেছিলেন। কিন্তু ফলাফলটা এমন হলো যে তা মিল খেয়ে গেল পরীক্ষার সঙ্গে। তাতে তিনি ভাবলেন- এই ভুল ভুল নয়। প্রথমবারের মতো তার মনে হলো ম্যাক্সওয়ল বোলৎজম্যানের সংখ্যাতত্ত্ব অণুবীক্ষনিক কণার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ সেখানে হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব-এর কারণে কণার যে আন্দোলন তা গ্রাহ্য সীমার মধ্যে। কাজেই তিনি কণার ভরবেগ ও অবস্থানের ব্যাপারটি বাদ দিয়ে দশা-কালে কণার প্রাপ্যতা নির্দেশ করলে এটি দাঁড়ায় প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবকের ঘন মান (যুক্ত)।

পদার্থ বিজ্ঞানের বিশ্বখ্যাত জার্নাল Physics journals বসুর ঐ প্রবন্ধ প্রকাশে অস্বীকৃতি জানায়। তারা ধরে নেয় যে, ঐ ভুল ভুলই; নতুন কোনো কিছ নয়। হতাশ হয়ে বসু বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের কাছে তা লিখে পাঠান। আইনস্টাইন ব্যাপারটা বুঝতে পারেন এবং নিজেই একটি প্রবন্ধ লিখে ফেলেন এবং বসুর নিবন্ধটি জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেন। এরপর তার ও বসুর নিবন্ধ দুইটি জার্মানীর Zeitschrift für Physik সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। ঘটনাটি ঘটে ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে।

বসুর ‘ভুল’ সঠিক ফলাফল দেওয়ার কারণ হলো একটি ফোটনকে আর একটি ফোটন থেকে আলাদা করা মুশকিল। তাই দুটি ফোটনের একদম একই শক্তি ভাবাটা ঠিক নয়। কাজেই দুইটি মুদ্রণ- একটি ফোটন আর একটি বোসন হয় তবে দুইটি হেড হওয়ার সম্ভাবনা তিনের-এক হবে। বসুর ভুল এখন বোস- আইনস্টাইন সংখ্যা তত্ত্ব নামে পরিচিত।

আইনস্টাইন এই ধারণাটি গ্রহণ করে তা প্রয়োগ করলেন পরমাণুতে। এই থেকে পাওয়া গেল নতুন প্রপঞ্চ যা এখন বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট নামে পরিচিত। এটি আসলে বোসন কণার একটি ঘণীভূত স্যুপ। ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দে এক পরীক্ষায় এটির প্রমাণ পাওয়া যায়। আর বিশ্বজগতের যে কণাগুলোর স্পিন পূর্ণসংখ্যা বসুর নামে পলডিরাক তার নামকরণ করেন বোসন কণা।

বোস ও নোবেল পুরস্কার
বসু-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান, বসু-আইনস্টাইন ঘনীভবন, বোসনের উপর গবেষণা করে ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন Carlo Rubbia Ges Simon van der Meer, ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে David M. Lee, Douglas D. Osheroff, Robert C. Richardson, ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে Martinus J. G. Veltman I Gerardus’t Hooft, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে Eric Allin Cornell, Carl Edwin Wieman Ges Wolfgang Ketterle) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বোসকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়নি। তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়ার কারণ সম্পর্কে বলা হয়, for the achievement of Bose-Einstein condensation in dilute gases of alkali atoms, and for early fundamental studies of the properties of the condensates.

সম্মাননা
১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে সত্যেন বসু ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসের পদার্থ বিজ্ঞান শাখার সভাপতি এবং ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি লন্ডনের রয়েল সোসাইটির ফেলো হন। ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে সম্মান সূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে। ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে ভারত সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক পদে মনোনীত করেন। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে দেশি কোত্তম এবং ভারত সরকার পদ্ম বিভূষণ উপাধিতে ভূষিত করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নামে সত্যেন বসু অধ্যাপক (Bose Professor) পদ রয়েছে। ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা শহরে তার নামে সত্যেন্দ্রনাথ বসু জাতীয় মৌলিক বিজ্ঞান কেন্দ্র নামক গবেষণা কেন্দ্র স্থাপিত হয়।

শেষ কথা
সে সময়ের মহানায়কেরা হলেন ম্যাক্সপ্লাংক, ম্যাক্সবর্ন, হাইজেন বার্গ, নীলস বোর, আইনস্টাইন, স্রোডিঙ্গার প্রমুখ। তারা নিউটনীয় ক্লাসিক্যাল যুগ থেকে বেরিয়ে এসে, কুড়ি শতকের শুরুতে বিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটালেন। সেই বিপ্লবের হাওয়া দূর দক্ষিণের তরুণ সত্যেন্দ্রনাথকে ছুঁয়ে গেল। তার কোনো আনুষ্ঠানিক পিএইচডি ডিগ্রি ছিল না। তিনি ইউরোপ-আমেরিকা থেকে গবেষণার দীক্ষা নিয়ে বিলেত ফেরত কোনো যুবক নন। তবে তিনি যে শিক্ষকদের কাছ থেকে শিক্ষা পেয়ে ছিলেন তারা সেকালে ভারতবর্ষের মহীরূহ-স্যার জগদীশ চন্দ্র ও আচার্য প্রফুল্ল রায় প্রমুখ।

তাঁকে চিনতে শুরু করল ইউরোপের শ্রেষ্ঠতম মেধাবীরা। বোস সুযোগ পেলেন ইউরোপ ভ্রমণের। ইউরোপ যাওয়ার আগে আইনস্টাইন হাতে লিখে একটি পোস্ট কার্ড পাঠিয়ে ছিলেন তাঁকে। বোস সেই পোস্ট কার্ড দেখিয়েছিলেন জার্মান দূতাবাসে। তাঁর কাছ থেকে ভিসা ফি নেওয়া হয়নি। তাঁকে ভিসা দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সত্যেন বোস সেই পোস্ট কার্ডকে পাসপোর্টের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। বার্লিন যাওয়ার আগে প্যারিসে বিজ্ঞানী মারিকুরির ল্যাবে তিনি কাজ করেছিলেন ছয় মাস।

সত্যেন বোস বেঁচে ছিলেন আশি বছর। জীবন ভর বিজ্ঞানের প্রচার, প্রসার ও উন্নতির জন্য কাজ করেছেন। ১৮৯৪ সালের ১ জানুয়ারি জন্মেছিলেন কলকাতায়। সে হিসেবে এ বছর তার ১২৫তম জন্মবার্ষিকী। তিনি ছিলেন বিজ্ঞানের মহাকাশে এক বাঙালি নক্ষত্র। যার নাম জড়িয়ে আছে খোদ আইনস্টাইনের সঙ্গে। উচ্চতর বিজ্ঞানে বোস-আইনস্টাইন স্ট্যাটেসটিকস বা বোস-আইনস্টাইন ডিস্ট্রিবিউশন পরিচিত। বিজ্ঞানী বোসের নামে দেওয়া হয়েছে পরমাণুর বোসন কণার নাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here