সুফি দর্শনের ক্রমবিকাশে মনসুর হাল্লাজের অবদান

0
102

ড. সাইফুল ইসলাম

ইসলামের প্রাণ হচ্ছে সুফিবাদ। হযরত আদম (আ.) থেকে শুরু করে বিশ্বনবি হযরত রাসুল (সা.) পর্যন্ত পৃথিবীতে যত নবি-রাসুল এসেছিলেন তারা প্রত্যেকেই সমকালীন যুগের মানুষকে আল্লাহর সাথে যোগাযোগের শিক্ষা দিয়েছিলেন। তাঁরা যে পদ্ধতিতে মানুষকে মহান আল্লাহর সাথে যোগাযোগের শিক্ষা দিয়েছেন, তাকে এলমে তাসাউফ বা সুফিবাদ বলা হয়। এই সুফিবাদ হচ্ছে সৃষ্টির আদিমতম বিজ্ঞান। তাই আম্বিয়ায়ে কেরাম ও আউলিয়ায়ে কেরাম সকলেই সুফিবাদের জ্ঞানে জ্ঞানী ছিলেন। সুফিবাদ মানুষকে উত্তম চরিত্রবান হওয়ার শিক্ষা দেয়। নবি-রাসুল ও আউলিয়ায়ে কেরামের উদ্দেশ্য হচ্ছে চরিত্রবান হওয়ার শিক্ষা দেওয়া।


মহান সংস্কারক সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) হুজুর কেব্লাজান সুফিবাদ সম্পর্কে বলেন, “সুফিবাদ হচ্ছে আল্লাহ্কে জানার বিজ্ঞান। যে মহাবিজ্ঞান স্রষ্টার সাথে সৃষ্টিকে, স্রষ্টার সাথে বান্দাকে যোগাযোগ করে দেওয়ার কৌশল শিক্ষা দেয় এবং আল্লাহর অস্তিত্ব নিজের হৃদয়ে বাস্তবায়িত করার শিক্ষা দেয় তাই সুফিবাদ।”


যুগে যুগে নবি-রাসুলগণ সুফিবাদের বিশেষ বিদ্যা দ্বারাই মানুষের হৃদয়ে আল্লাহর নুর শিখা প্রজ্বলিত করেছেন। ফলে সমকালীন যুগের মানুষ ঐশী প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে পাপ-পঙ্কিলতা হতে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। কোনো নবি জগতের বুক থেকে বিদায় নেওয়ার পর তাঁর অনুসারীদের হৃদয়ে আল্লাহর প্রজ্বলিত নুর ক্রমেই স্তিমিত হতে থাকে। জগতের মানুষ তখন ঐ নবির শিক্ষা ভুলে গিয়ে পুনরায় পাপের পথে অগ্রসর হতে থাকে। মহান আল্লাহ্ দয়া করে এরপর আরেক নবি বা রাসুল পাঠিয়ে হেদায়েতের ধারা অব্যাহত রাখেন। নবুয়তের যুগের অবসানের পর অর্থাৎ- হযরত রাসুল (সা.)-এর পরবর্তী যুগে তাঁর আদর্শকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য মহামানব তথা অলী-আল্লাহ্গণ পৃথিবীতে আবির্ভূত হন। আবার অনেক মহামানবকে সুফিবাদ বা এলমে তাসাউফকে রক্ষার জন্য শহিদ হতে হয়েছে। তেমনি হযরত মনসুর হাল্লাজ (রহ.) এই শিক্ষা এলমে তাসাউফকে রক্ষার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছে।


প্রেমতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক সাধনার জগতে হযরত মনসুর হাল্লাজ (রহ.) অন্যতম। তাঁর নাম জানে না এমন মুসলমান জগতে বিরল। তাকে সুফি তত্ত্ব দার্শনিক মহলে বিশেষ করে মরমী দার্শনিকদের উপজীব্য। তাঁর পূর্ণ নাম আল-মুগিছ আল-হুসাইন ইবনে মনসুর হাল্লাজ ইবনে মোহাম্মদ আল-বায়জাবী। তবে তিনি মনসুর হাল্লাজ নামে সর্বমহলে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর ‘আনাল হক’ (আমিই মহাসত্য বা আমিই সৃষ্টিশীল সত্য) তত্ত্ব সারা বিশ্বের মরমী দার্শনিকদের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। মনসুর হাল্লাজ ৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে পারস্যের বায়জা নামক শহরে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে তিনি পিতা-মাতার সাথে ইরাকের ওয়াসেত শহরে চলে যান এবং সেখানেই লেখাপড়া করেন। ৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বাগদাদে এসে হযরত জুনায়েদ বাগদাদী (রহ.)-এর নিকট বাইয়াত গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন তিনি তাঁর মোর্শেদের দরবারে গোলামিতে অতিবাহিত করেন। তিনি শরিয়ত ও মারেফতের নিগূঢ় রহস্য সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে নিজেকে সমৃদ্ধ করেন। ৯০২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি আহওয়াজ প্রদেশের তশ্তর নামক স্থানে গমন করেন এবং সেখানকার কামেল দরবেশ হযরত সাহাল ইবনে আব্দুল্লাহ তশ্তরী (রহ.)-এর খেদমতে ১ বছর অতিবাহিত করে বসরায় চলে যান। সেখানে তিনি ১৮ মাস হযরত আমর ইবনে ওসমান মক্কি (রহ.)-এর সহবতে থাকেন। এ সময় তিনি ৩৮ বছর বয়সে বিশিষ্ট দরবেশ হযরত ইয়াকুব মাকতার (রহ.)-এর কন্যাকে বিয়ে করেন। এরপর সস্ত্রীক বাগদাদে ফিরে এসে হযরত জুনায়েদ বাগদাদি (রহ.)-এর সাহচর্যে চলে যান।


হযরত জুনায়েদ বাগদাদি (রহ.) তাঁকে নির্জনে বাস ও নীরবতা অবলম্বনের উপদেশ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী তিনি মক্কায় গমন করে পূর্ণ ১ বছর অতিবাহিত করেন। মক্কা থেকে তিনি পারস্যের তশ্তর নামক স্থানে পুনরায় ফিরে আসেন এবং এ সময়ে তিনি তাঁর মতবাদ ‘সর্বেশ্বরবাদ’ প্রচার শুরু করেন। প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করেন। এমনকি, তিনি ভারতবর্ষেও আগমন করেন। ভারতবর্ষের বহু স্থানে বহু কিতাব লিখে মানুষকে দান করেন। অতঃপর তিনি তাঁর বিখ্যাত কিতাব ‘কিতাবুল তাওয়াসিন’ লেখা সমাপ্ত করেন, যাতে তিনি সর্বেশ্বরবাদ ব্যাখ্যা করেন। এই কিতাবে তিনি ‘হুলুল’ অর্থাৎ মানুষের উপর আল্লাহর গুণাবলি আরোপের নীতি প্রবর্তন করেন এবং ঐশী প্রেমোন্মাদনায় ‘আনাল হক’ তত্ত্ব প্রকাশ করেন। এতে শরিয়তি আলেমগণের ফতোয়ার প্রেক্ষিতে খলিফার আদেশে প্রথম তাঁকে জেলে আটক রাখা হয়। তাতেও তিনি স্থগিত না হওয়ায় ৯৩১ খ্রিষ্টাব্দ ১৮ জিলকদ তাঁকে শূলে চড়িয়ে হত্যা করা হয়।


হযরত মনসুর হাল্লাজ (রহ.) সর্বেশ্বরবাদ প্রচার করেন। এ মতবাদে মনে করা হয় যে, আল্লাহ্ ও বিশ্বের মধ্যে কোনো প্রভেদ নেই। সমগ্র বিশ্বজগৎই যেন আল্লাহ্ এবং আল্লাহ্-ই সমগ্র বিশ্বজগৎ। প্রকৃতপক্ষে সর্বেশ্বরবাদের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হযরত বায়েজিদ বোস্তামি (রহ.)। পারস্যবাসী বায়েজিদ সর্বপ্রথম ‘ফানা’ অর্থাৎ বিনাশন মতবাদের প্রবর্তন করেন। এর অর্থ হলো- ব্যক্তি বিশেষের মাঝে সমস্ত অশুভ, অকৃত্রিম ও কুচিন্তার ধ্বংস সাধন করা। বায়েজিদের পর জুনায়েদ বাগদাদি ৯১০ খ্রিষ্টাব্দে বলেছিলেন- “Fana (annihilation) must be succeded by baka (one with Allah), a return to an enhanced self.” এই জুনায়েদ বাগদাদির শিষ্য ছিলেন মনসুর হাল্লাজ। মনসুর হাল্লাজ মনে করেন, আল্লাহর সারকথা হলো প্রেম।


সৃষ্টিজগতের পূর্বে মহান আল্লাহ্ নিজেকেই ভালোবাসতেন, যা ছিল এক পরিপূর্ণ একক সত্তা এবং এ প্রেমের মাধ্যমে তিনি নিজেকেই নিজের কাছে প্রকাশ করেছিলেন। তারপর এ ‘তানহা’ বা একাকিত্বের ভালোবাসা তাঁকে প্রেরণা দিয়েছিল তাঁরই মধ্য থেকে তাঁর গুণাবলি ও নাম সমৃদ্ধ এবং তাঁর সাদৃশ্য এক সত্তা সৃষ্টি করার। এ স্বর্গীয় সৃষ্টি বা ভাবমূর্তিই হলো আদম, যার মধ্যে আল্লাহ্ নিজেকে প্রকাশ করলেন।


মনসুর হাল্লাজ তাঁর সর্বেশ্বরবাদ এমনভাবে প্রচার করেছিলেন যে, তা সাধারণ মানুষের বা সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান পালনকারী লোকের বোধগম্যের বাহিরে চলে গিয়েছিল। তাঁর রহস্য ঘেরা কথাবার্তা তৎকালীন লোকেরা বুঝতেই পারেনি। তাঁর কিতাবুল তাওয়াসীনে তিনি লিখেছেন- “আমি যাকে ভালোবাসি সে তো আমি। আমাদের দুটি আত্মার এক দেহ। তুমি যদি আমাকে দেখো তবে তাঁকেই দেখবে এবং যদি তাঁকে দেখো তবে আমাদের উভয়কেই দেখবে।”

মনসুর হাল্লাজ আল্লাহর প্রেমে এতই বিভোর ছিলেন যে, প্রেমের উদ্দীপনায় তিনি এসব রহস্যঘেরা কথা বলেছিলেন, এমনকি লিখেও দিয়েছিলেন এবং ‘আনাল হক’ উক্তি জনসম্মুখে প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর এসব কথা যে সম্পূর্ণ নতুন ছিল এমন নয়। তাঁর অনেক পূর্বেই স্টোয়িক দার্শনিকগণ, পাশ্চাত্য মরমী দার্শনিকগণ এবং ভারতীয় দর্শনে ব্রাহ্মজ্ঞানীগণ এ ধরনের কথা বলেছেন। শরিয়তপন্থি মুসলিম জাহান তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছিল এবং হত্যার করুণ পরিণতির মাধ্যমে তাঁকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। অবস্থা এমন হয়েছিল যে, তাঁর এককালের শিক্ষক আবু বকর শিবলীসহ অনেক সুফি হত্যা-বেদিতে তাঁকে পাথর মেরেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর অনেক পরে যখন ইবনুল আরাবী তাঁর ‘ওহাদাতুল ওজুদ’ (সর্বেশ্বরবাদ) তত্ত্ব logical argument দিয়ে ব্যাখ্যা করলেন তখন মানুষের মনে হাল্লাজ সম্পর্কে ধারণা পাল্টাতে লাগলো। এরপর মাওলানা জালালুদ্দিন রুমী (রহ.) প্রেমতত্ত্ব প্রকাশ করে মসনভী শরীফে প্রকাশ করেন যা হাল্লাজের কথার বিস্তারিত ব্যাখ্যা। এরপর থেকে হাল্লাজ সুধী সমাজে সমাদৃত হতে থাকেন, কেউ তাঁকে মহান সাধু, কেউ সুফি দর্শনের পথিকৃত আবার কেউ মহান শহিদ বলে আখ্যায়িত করতে লাগলেন। আজ প্রতিটি মুসলিম হাল্লাজের নাম স্মরণ করে এবং Hallajian philosophy মুসলিম দর্শনের এক বিরাট অংশ জুড়ে হয়েছে। হাল্লাজের হত্যা সম্পর্কে R.A. Nicholson লিখেছেন: His (Hallaj) crime was not that, as later sufis put it. He divulged the mystery of the divine lordship, but that in obedience to an inward call he proclaimed and actively asserted a truth which involves religious, political and social anarchy. Other mysteries have seen that truth. Hallaj lived in it and died for it.


হাল্লাজকে তাঁর মতবাদের জন্য প্রাণ দিতে হয়েছে। ধর্মের কারণে অনেক সুফি ব্যক্তি, অনেক ভাববাদী ব্যক্তিত্ব অস্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছেন। মনসুর হাল্লাজ তাঁদের মধ্যে একজন। তাঁর এ মর্মান্তিক মৃত্যুদণ্ড ন্যায় কি অন্যায় হয়েছে, সে বিচারের একমাত্র অধিকর্তা মহান আল্লাহ্, যাঁর প্রেমে হাল্লাজ নিজেকে ফানা করে মোহান্বিত অবস্থায় উচ্চারণ করেছিলেন, ‘আনাল হক’ এবং সৃষ্টি করে গেলেন দার্শনিকদের চিন্তার খোরাক।


এখানে একটা বিষয় উল্লেখ করা অপ্রাসঙ্গিক হবে না যে, কোনো ধর্মের শরিয়ত সর্বজনীন বা বিশ্বায়িত হয়নি এবং এখনো নেই। ভবিষ্যতে কোনো শরিয়তের বিশ্বায়ন অর্থাৎ সারা বিশ্ব একই শরিয়তের অধীন হবে কিনা আল্লাহ্-ই ভালো জানেন। সক্রেটিস ইসলামের অনেক আগের দার্শনিক। তিনি কোনো শরিয়ত পালন করেননি। তাই বলে তাঁর “Know thyself” তত্ত্ব আরো সুন্দর ও সমৃদ্ধ করে ‘মান আরাফা নাফসাহূ ফাকাদ আরাফা রাব্বাহূ’ অর্থাৎ যিনি নিজেকে চিনতে পেরেছে সে তাঁর প্রভুর পরিচয় লাভ করেছে। ইসলামে তাঁর এই দর্শনকে গ্রহণ করতে কুণ্ঠাবোধ করেনি। সারা পৃথিবীর মানুষ তা গ্রহণ করেছে। এদিকে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে বিশ্বমানবতার জন্য। অথচ বিশ্ববাসীর তিন-চতুর্থাংশ মানুষ কুরআন পড়তে ও বুঝতে পারে না। সারা বিশ্বের অনেক মুসলমান কুরআন পড়তে ও বুঝতে না পারলেও তারা নামাজ ও রোজার দর্শন থেকে বিচ্যুত হয়নি। পাশ্চাত্য দর্শনে সক্রেটিস, প্লেটো, প্লাটিনাস, স্পিনোজা, বার্কলে, হেগেল, হিউম প্রমুখ দার্শনিকগণ ধর্ম সম্পর্কে যা বলেছেন, মুসলিম দর্শনের বায়েজিদ বোস্তামি, জুনায়েদ বাগদাদি, মনসুর হাল্লাজ, জালাল উদ্দীন রুমী, ইবনুল আরাবী, ইমাম গাজ্জালী, ইবনে সিনা, আল্ ফারাবী, ইবনে মাশকাওয়া, ইবনে তোফায়েল, আল্ কিন্দি, ইবনে রুশদ, মহাকবি ইকবাল, কবি নজরুল, বরকত উল্লাহ এবং ভারতীয় দর্শনের রবি শংকর, রাজা রামমোহন, আচার্য ত্রিবেদি, রবীন্দ্রনাথ একই কথা বলেছেন। বাহ্যিকভাবে আমরা যেটুকু ব্যবধান দেখতে পাই, তা শুধু ব্যাখ্যার হেরফের মূল বিষয়ে নয়।


তাসাউফ বা সূফী দর্শন বা মুসলিম দর্শন-ই বিশ্বায়নের ক্ষেত্রে একমাত্র পথ। কারণ, আল-কুরআন, বিশ্বজনীন ধর্মীয় গ্রন্থ, শরিয়ত নয়। মুসলিম দর্শনের সাথে শরিয়তকে যুগোপযোগী করে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের বিশ্বাস, মহান সংস্কারক মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) হুজুর কেব্লাজানের প্রচারিত এলমে তাসাউফ দর্শন সংবলিত মোহাম্মদী ইসলাম অনুসরণের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। বর্তমান তাঁরই মেজো সাহেবজাদা মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর সারা বিশ্বে মোহাম্মদী ইসলামের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। যার ফলশ্রতিতে বিশ্বময় এলমে তাসাউফ তথা সুফিবাদ দর্শনের বিকাশ ঘটছে।

তথ্যসূত্র :
১। হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.), সূফী সম্রাটের যুগান্তকারী ধর্মীয় সংস্কার ১ম ও ২য় খণ্ড, মতিঝিল, ঢাকা
২। ইমাম ড. আরসাম কুদরত এ খোদা; মোর্শেদের দরবারে মুরীদের করণীয়, ২য় সংস্করণ, তাসাউফ পাবলিকেশনস, ১৪৭ আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা
৩। প্রফেসর ড. সৈয়দা তাকলিমা সুলতানা; সূফীবাদের আত্মপরিচয় ও ক্রমবিকাশের অন্তরায়, ২য় সংস্কারণ, সূফী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, মতিঝিল, ঢাকা
৪। হজরত খাজা মুঈনুদ্দিন চিশতী (রঃ); অনুবাদ ও সম্পাদনা: জেহাদুল ইসলাম ও ড. সাইফুল ইসলাম খান; দিওয়ান-ই-মুঈনুদ্দিন, ২য় সংস্করণ, সদর প্রকাশনী ১১/১ বাংলাবাজার, ঢাকা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here