সূফী সম্রাটের দয়ায় করোনা থেকে আরোগ্য লাভ

0
434

মহান রাব্বুল আলামিন যুগে যুগে মানুষের হেদায়েতের জন্য তাঁর মনোনীত মহামানবগণকে প্রেরণ করে থাকেন। প্রত্যেক মহামানবকে রাব্বুল আলামিন তাঁর স্বীয় গুণে গুণান্বিত করে দুনিয়াতে প্রেরণ করেন। নবুয়তের যুগে এসমস্ত মহামানবগণকে বলা হতো নবি-রাসুল, আর বেলায়েতের যুগে বলা হয় অলী-আল্লাহ। হযরত রাসুল (সা.)-এর মাধ্যমে নবুয়াতের যুগের পরিসমাপ্তির পর শুরু হয় অলী-আল্লাহদের যুগ অর্থাৎ বেলায়েতের যুগ। অলী-আল্লাহগণ আল্লাহ্র বন্ধু হওয়ার কারণে বিপদে পড়ে তাদের কাছে সাহায্য চাইলে মহান আল্লাহ তাঁর বন্ধুর অসিলায় যে কোনো বিপদ-আপদ ও বালা-মুসিবত থেকে সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করে থাকেন।
বর্তমান এই পাপসংকুল পৃথিবীতে আল্লাহ দয়া করে বেলায়েতের যুগের শ্রেষ্ঠ ইমাম সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মা. আ.) হুজুর কেবলাজানকে প্রেরণ করেছেন। যাঁর সান্নিধ্যে গিয়ে অসংখ্য মানুষ নানাবিধ রোগ-শোক, বিপদ-আপদ থেকে উদ্ধার পাচ্ছেন এমন বহু ঘটনা রয়েছে। নিম্নে সূধী পাঠক মহলের জ্ঞাতার্থে তেমনি একটি ঘটনা উপস্থাপন করা হলো-
মৃদুল কান্তি মজুমদার, পিতা-মৃত গোপাল মজুমদার, গ্রাম-উনাইসার, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা। মৃদুল কান্তি মজুমদার বরিশালে একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকুরী করতেন। সম্প্রতি তিনি বদলি হয়ে নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন। সেখানে থাকাকালীন রাত্রে প্রায়ই তার কাঁপানো দিয়ে জ্বর আসতো। তার স্বাস্থ্যের দিন দিন অবনতি হতে থাকে। এ অবস্থায় তিনি ছুটি নিয়ে কুমিল্লায় তার গ্রামের বাড়িতে চলে যান। তখন তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। এভাবে তিনি সপ্তাহ খানিক কুমিল্লা মেডিক্যালে ভর্তি থাকেন। সেখানে তাকে এক্সরে ও বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তার করোনা ভাইরাস পজেটিভ ধরা পড়ে। এদিকে বিশ্বময় মহামারি করোনা ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে। এতে তিনি ভয় পেয়ে যান। এমতাবস্থায় তিনি তার মামা নিরঞ্জন শর্মার নিকট জ্যোতির্ময় একজন মহামানবের সন্ধান পান। তিনি হলেন মহান সংস্কারক যুগের ইমাম সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজান। তখন মৃদুল কান্তি মজুমদার বাবা দেওয়ানবাগীর পরিচয় পেয়ে এই বিপদের দিনে আশীর্বাদ হিসেবে তাঁর কাছে দয়া ভিক্ষা চেয়ে একটি জান মানত করেন। এভাবে বাবা দেওয়ানবাগীর কাছে আজিজি ও দয়া ভিক্ষা চান তিনি যেন দয়া করে তাকে সুস্থ করে দেন। মহান রাব্বুল আলামিনের দয়ায় কিছুদিনের মধ্যেই তাকে আবার পরীক্ষা করা হলে তার করোনা ভাইরাস নেগেটিভ আসে। তারপর সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান এবং তার কর্মস্থলে যোগদান করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here