সূফী সম্রাটের শিক্ষার সুফল নামাজে প্রভুর দর্শন

0
532

মহান আল্লাহ্ মানব জাতিকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করে তাঁর প্রতিনিধির মর্যাদা দিয়ে এ পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। প্রতিনিধি তার মালিকের দিদার লাভ করবেন কোন পদ্ধতিতে সে সম্পর্কে হযরত রাসূল (সা.) এরশাদ করেন- আসসালাতু মি’রাজুল মো’মিনিন। অর্থাৎ- নামাজ মু’মেন ব্যক্তির জন্য মিরাজ।


নামাজে মিরাজ লাভ করার জন্য একাগ্রচিত্তে নামাজ আদায় করতে হয়। আর মোর্শেদে কামেলের সাহায্য ব্যতীত নামাজে একাগ্রতা অর্জন সম্ভব নয়। মহান সংস্কারক সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) হুজুর কেবলাজানের প্রধান চারটি শিক্ষার মধ্যে অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে নামাজে হুজুরি বা একাগ্রতার সাথে নামাজ আদায় করা। সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানের শিক্ষা গ্রহণ করে আল্লাহর দিদার লাভ করা যে সম্ভব তার বাস্তব প্রমাণ নিম্নের এই ঘটনাটির মাধ্যমে যা বর্ণনাকারীর নিজের ভাষায় উপস্থাপন করা হলো।


আমি আশেকা রাসুল মাহমুদা রশিদ। পিতা- আতিকুল ইসলাম, ছোলমাইদ, থানা- বাড্ডা, জেলা- ঢাকা।
আমি নামাজে মিরাজ লাভের শিক্ষা নিতেই ২০০৩ সালে সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজানের সুমহান আদর্শ গ্রহণ করি। তারপর থেকে নিয়মিতভাবে মোহাম্মদী ইসলামের ওয়াজিফার আমল করতে থাকি। একদিন মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী এশার নামাজে দাঁড়িয়ে কেবলামুখী হয়ে দুই চক্ষু বন্ধ করে খেয়াল ক্বালবে ডুবিয়ে দিয়ে আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করে মনে মনে বলছিলাম, ওগো দয়াল মাওলা, দয়াল খোদা! তোমাকে দেখার মতো যোগ্য চক্ষু আমার নাই, তাই আমি তোমাকে দেখি না; কিন্তু তুমি আমাকে দেখছ। তোমার কথা শোনার মতো যোগ্য কান আমার নাই, তাই আমি শুনি না; কিন্তু তুমি আমার কথা শুনছ। হে দয়াল মাওলা! তোমার বন্ধু সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজানের অসিলায় আমাকে নামাজে দিদার নসিব করো। এই বলে আমি নামাজ শুরু করলে হঠাৎ দেখতে পাই আমি যে ঘরে নামাজ পড়ছি আমার সেই ঘরটি নুরের আলোতে আলোকিত হয়ে গেছে।

মহান রাব্বুল আলামিনকে নিয়ে আমার মহান মোর্শেদ সূফী সম্রাট দয়াল বাবাজান এসেছেন। তিনি আমাকে মহান প্রভুর সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের নুরময় চেহারা মোবারক থেকে নুরের রশ্মি এমনভাবে বিচ্ছুরিত হচ্ছিল যে, আমার হৃদয় বিদীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। আমি তখন দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না। কাঁপতে কাঁপতে জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম। যখন আমার জ্ঞান ফিরলো তখন শুধু ঐ নুরের বিচ্ছুরণ এবং দয়াল দরদী মোর্শেদ ও মহান প্রভুর চেহারা মোবারকের অপরূপ দৃশ্য মনে করে বুক ফেটে কান্না আসছিল। এরপর থেকে আমি নামাজ আদায়কালে আমার মহান মোর্শেদ সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজানের দয়ায় মহান প্রভুর দিদার লাভ হয়।


আমাদের পরম সৌভাগ্য যে, মহান সংস্কারক সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজানের সুমহান শিক্ষা প্রত্যেক মুক্তিকামী মানুষকে নামাজে মিরাজ লাভের সুযোগ করে দিয়েছে। পরম করুণাময়, অতি দয়ালু রাব্বুল আলামিনের কাছে ফরিয়াদ- তিনি যেন দয়া করে তাঁর প্রিয় বন্ধুর শিক্ষা অনুয়ায়ী আমাদের আমল করার তাওফিক দান করেন। আমিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here